স্পোর্টস ডেস্ক
প্রায় তিন মাসের বিরতি শেষে আজ রবিবার রাতে মাঠে ফিরছে রিয়াল ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, প্রতিপক্ষ যথাক্রমে এসডি এইবার ও অ্যাথলেটিক বিলবাও। তবে দীর্ঘ বিরতির পর দুই দলের দুটি ভিন্ন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। রিয়ালের পরীক্ষা তুলনামূলক সহজ, কেবল ধারাবাহিক হলেই ল্যাঠা চুকে যায়। তবে সেরা চারের বাইরে চলে যাওয়া অ্যাটলেটিকোর আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত করাটাই হয়ে দাঁড়িয়েছে সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ।
চলতি মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদ যেন জেকিল অ্যান্ড হাইড দল—এই ভালো তো এই খারাপ। লিগ স্থগিত হওয়ার আগেই যেমন বার্সাকে দুর্দান্ত খেলে হারানোর পরের ম্যাচেই নিজেদের মাঠে রিয়াল বেতিসের কাছে হারে কোচ জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা!
লিগ শিরোপা পুনরুদ্ধারে তাই সবার আগে রিয়ালের চাই ধারাবাহিকতা। দলের মিডফিল্ডার টনি ক্রুস অবশিষ্ট ১১ ম্যাচের প্রতিটিকে ফাইনাল হিসেবে দেখেছেন কদিন আগেই। এমন সব ম্যাচ সামনে রেখে জিদানের জন্য সুখবর হয়ে এসেছে মার্কো অ্যাসেনসিও আর এডেন হ্যাজার্ডের চোটমুক্তি। বড়ো বিরতিতে দলের বাকি সব ছোটোখাটো চোটও সেরে গেছে, মৌসুমের শেষ ভাগে তাই চোটমুক্ত এক দলই পাবে রিয়াল। এরই মধ্যে আজ এইবারকে আতিথ্য দেবে তারা। শুরুটা জয় দিয়ে হলে আজ শিরোপা পুনরুদ্ধারের পথেও বড়ো একটা ধাপ এগোবে জিদানের শিষ্যরা। এদিকে আন্তনিও গ্রিজমানকে বার্সেলোনার কাছে বেচে দেওয়ার পর থেকেই অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ প্রতিপক্ষের গোলমুখে একরকম দীনহীন হয়ে পড়েছে। দলে নতুন আসা হোয়াও ফেলিক্সও ঠিকঠাক মানিয়ে নিতে পারেননি এখনো। মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে এসেছে রক্ষণাত্মক সমস্যাগুলো। সিমিওনে-দুর্গে আক্রমণ যত সমস্যাই হোক না কেন, রক্ষণে হবে নিশ্ছিদ্র। এমন রক্ষণেও এবার ছেদ পড়েছে বড়োসড়োই। এ পর্যন্ত লিগে ২১ গোল হজম করা দলটিকে সামনের মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত করতে হলে বড়ো পরীক্ষার মুখেই পড়তে হবে। এই পরিস্থিতিতেই তার মুখোমুখি হচ্ছে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের, লিগে যাদের বর্তমান অবস্থান দশ। প্রতিপক্ষের মাঠ সান মামেসে খেলা হলেও দর্শকহীন গ্যালারি থাকায় পাল্লা বেশি ভারী থাকবে অ্যাটলেটিকোর দিকেই।