ইত্তেফাক রিপোর্ট
একাদশ জতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে এলাকায় নির্বাচনপূর্ব শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশন চারটি নির্দেশনা দিয়েছে।
এগুলো হলো- নির্বাচনী এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন পরিকল্পনা এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রস্তুতকরণ। এদিকে অন্য এক নির্দেশনায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবকে বলা হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে স্থানীয় সরকারগুলোর সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য।
ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষর করা এ নির্দেশনাটিও মঙ্গলবার পাঠানো হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার তথা ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ নিজ নিজ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে বলে নির্বাচন কমিশন আশা করে। এজন্য স্থানীয় সরকারগুলোকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে নির্বাহী আদেশ জারি করার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ঋণখেলাপিদের তথ্য দিতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত নির্দেশনা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী ঋণখেলাপিরা জাতীয় সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য নন। যে কারণে ঋণখেলাপিরা সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ঋণখেলাপিদের যাতে প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য ঘোষণা করা যায়, সেজন্য আইনে নির্ধারিত সকল ব্যাংক থেকে ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করা আবশ্যক।