সালথায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০

ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দল গ্রামবাসীর দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। এ সময় ৭জনকে আটক করা হয়। আহতদের নগরকান্দা স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

বুধবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। 

স্থানীয়রা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ফুকরা বাজারে হায়দার সিকদারের সমর্থক লাল মিয়ার সঙ্গে কাউছার মাতুব্বারের সমর্থক রুহুল মোল্যা কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে লাল মিয়া আহত হন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতেই উভয় দলের সর্মথকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শর্টগানের ২৭ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৬টি টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রাতের এই সংঘর্ষের সূত্র ধরে বুধবার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকরা আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দুই ঘণ্টারও বেশি সময় চলা এ সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের অন্তত ২০টি বসতবাড়ি ভাঙচুর করা হয়। 

খবর পেয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মাকছুদুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার এফএম মহিউদ্দীন, সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। 

আরও পড়ুনঃ সেরেনার সার্ভিস বোঝা কঠিন: ফেদেরার

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. দেলোয়ার হোসেন খান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ মঙ্গলবার রাতে ২৭ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৬ টি টিয়ারসেল ও বুধবার সকালে ৫ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ১৮টি টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। এ সময় সংঘর্ষে লিপ্ত থাকা ৭ জনকে আটক করা হয়।

ইত্তেফাক/কেকে