পাবনা অঞ্চলের চাষিরা লিচুর ভালো দাম পেয়ে এখন খুশি। মৌসুমের শুরুতেই লিচুর দাম নিয়ে চিন্তিত ছিলেন তারা। তবে শেষ পর্যন্ত সীমিত আকারে যানবাহন চলাচল শুরু এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বাজার ও অফিস-আদালত খুলে যাওয়ায় লিচু বিক্রিতে তেমন বেগ পেতে হয়নি চাষিদের।
পাবনার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ৫ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে ঈশ্বরদীতেই ৩ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে লিচু আবাদ হয়। আথাইলশিমুল গ্রামের বাগানমালিক গোলাম মোস্তফা জানান, গত মৌসুমে তার বাগান থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকার লিচু বিক্রি করেছিলেন তিনি। কিন্তু চলতি মৌসুমে বাগানের ৪৫ শতাংশ লিচু নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে এবার তিনি দুর্যোগে অর্ধেক দাম পেয়েও খুশি।
পাবনার জয়বাংলা নারী উন্নয়ন সমবায় সমিতির সভানেত্রী ও বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত কৃষক নুরুন্নাহার বেগম বলেন, প্রথমে তারা করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে লিচু দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহন সংক্রান্ত বিষয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। তবে সরকার অনলাইনে ফল বিপণনের সুবিধা করে দিয়েছেন এবং ট্রেনে বিশেষ বগি লাগিয়ে অল্প ভাড়ায় আম, লিচু পরিবহনের ব্যবস্থা করায় তাদের ক্ষতি কম হয়েছে।
পাবনার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আজহার আলী জানান, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগে লিচুর কিছুটা ক্ষতি হয়েছে এটা ঠিক। তবে কাঙ্ক্ষিত লিচুর দাম পেয়ে চাষিরা খুশি’।