ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ বাড়ার আশঙ্কা এমসিসিআইর

প্রস্তাবিত বাজেটে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর)। তবে চলতি অর্থবছরে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রাও অর্জিত হচ্ছে না। অনেকেই মনে করছেন, অর্থবছরের শেষ নাগাদ যে রাজস্ব আদায় হবে আগামী অর্থবছরের রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা এর চেয়ে অন্তত ৫০ শতাংশ বেশি দাঁড়াবে। এ বিশাল রাজস্ব আদায় করতে গিয়ে মাঠ পর্যায়ে ব্যবসা পর্যায়ে হয়রানি বাড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের প্রভাবশালী সংগঠন এমসিসিআইও ইস্যুটি তুলেছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, যে রাজস্বের  লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে, তা আদায় অত্যন্ত কঠিন। এতে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ওপর এনবিআরের চাপ বাড়বে। প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় এ আশঙ্কার কথা জানানো হয়।

এ সময় বলা হয়, প্রস্তাবিত বাজেটে শ্রমবাজার নিয়ে আরো সুনির্দিষ্ট নীতিনির্দেশনা থাকার প্রয়োজন ছিল। ঘাটতি অর্থায়ন এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধির চেয়ে মানুষের জীবন এবং জীবিকায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার তাগিদই ছিল সবচেয়ে বড়ো। এমসিসিআই মনে করে, বড়ো বরাদ্দের সুবিধা কোনো কাজে আসবে না যদি বাস্তবায়ন দক্ষতা বাড়ানো না যায়। একই সঙ্গে জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় বলা হয়, বর্তমান ক্রান্তিকালে স্বাস্থ্য খাতের সুশাসন এবং দক্ষতার দুর্বলতার বিষয়টি সামনে চলে এসেছে।