বেগমগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন

চৌমুহনীতে যৌতুকের জন্য স্বামীর মারধর ও নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে মামলা দায়েরের পর কয়েক মাস পার হলেও অভিযুক্ত গ্রেফতার না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাদী। এদিকে, মামলার তদন্ত চলাকালে প্রধান আসামি শাহজাহান মানিক বিদেশ গমন করেছেন বলে অভিযোগ বাদীর। তাছাড়া, ছয় জনকে অভিযুক্ত করে মামলা করা হলেও পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদনে এক জনকে আসামি করে। এসব ঘটনায় নিজের হতাশার কথা এই প্রতিবেদককে জানান ঐ নারী। মামলার বাদী শহরের আবাসিক এলাকা আপন নিবাসের বাসিন্দা তাজকেরা আক্তার জানান, ১৯৯৩ সালের ২৮ আগস্ট তার সঙ্গে বেগমগঞ্জ উপজেলাধীন মহব্বতপুর গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে শাহজাহান মানিকের বিয়ে হয়। ২৭ বছর সংসার জীবনে দুই সন্তান জন্ম নেয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী ও শ্বশুরের পরিবারের অন্য সদস্যগণ তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতে থাকে এবং বিভিন্ন সময় তার বাবার বাড়ি থেকে নগদ টাকা এনে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে স্বামী শাহজাহান মানিকের পরকীয়ার ব্যাপারে প্রতিবাদ করলে অমানসিক নির্যাতন নেমে আসে। এক পর্যায়ে গত ১২ জানুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ছয় জনকে আসামি করে মামলা করেন তিনি।

এ ব্যাপারে মামলার অভিযুক্ত সোহরাব হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ব্যাপারটি এমপি সাহেব মীমাংসা করবেন বলেছেন। আমি এখন ব্যস্ত আছি পরে ফোন করে জানাব। কিন্তু তিনি আর ফোন করেননি। অপর অভিযুক্ত কাউসার মারজাহানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। চৌমুহনী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাবুল মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। কেউ আমাকে কিছু জানায়নি।