গত কয়েক দিনে যমুনা নদীর ভাঙনে নাগরপুরের পাইকশা মাইঝাইল বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠার, ঘরবাড়ি এবং ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। এদিকে শনিবার রাতে নবনির্মিত দোতলা পাইকশা মাইঝাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিলীন হয়েছে। নদী ভাঙনে গৃহহারা মানুষ উদ্বেগ ও উত্কণ্ঠার মধ্যে জীবনযাপন করছেন। পাইকশা মাইঝাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আতিকুর রহমান বলেন, গত বছর বন্যায় এই এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দেয়। সে সময় যদি ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতো তাহলে আজ আমাদের বিদ্যালয়টি যমুনায় বিলীন হয়ে যেত না। উপজেলার খাসঘুণীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, গত কয়েক দিনের তীব্র ভাঙনে এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, কমিউনিটি ক্লিনিক ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ দুই শতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ ফয়েজুল ইসলাম রবিবার ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, যারা ভাঙনে গৃহহীন হয়ে পড়েছে তাদের পার্শ্ববর্তী আশ্রয় শিবিরে থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন, যেহেতু করোনার কারণে স্কুল বন্ধ, তাই ভেঙে যাওয়া বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতে কোনো ক্ষতি না হয় সেজন্য অস্থায়ী বিদ্যালয় নির্মাণ করা হবে।