ভোগাই নদীর চারালী ব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও এর ওপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল অব্যাহত রয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ৩০-৪০ টন ওজন নিয়ে ১০ চাকার বালু বোঝাই ট্রাকও চলাচল করছে। দিনের বেলায় ব্রিজ মেরামতের কাজ চললেও রাতের বেলায় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র।
সূত্র জানায়, ভারতের মেঘালয় রাজ্য থেকে নেমে আসা দুরন্ত খরস্রতা ভোগাই নদীর ওপর প্রায় ১০/১১ বছর আগে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৮৬.৪০ মিটার দীর্ঘ ব্রিজের নির্মাণকাজ শেষ হয়। সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর প্রচেষ্টায় ২০০১ সালে ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কাজটি বাস্তবায়ন করেন শেরপুর জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগ। ব্রিজের ধারণক্ষমতা সর্বাধিক ১০ টন। ২০০৯ সালে চলাচলের জন্য ব্রিজ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ব্রিজের উপর দিয়ে পরে সীমান্ত সড়কও চালু করা হয়। নালিতাবাড়ী উপজেলার নাকুগাঁও এবং হালুয়াঘাটের গোবরাকুড়া-কড়ইতলী স্থলবন্দরের কয়লা-পাথর বোঝাই ভারী যানবাহন চলাচল করে এই ব্রিজের উপর দিয়ে। গত দুই বছর ধরে ভোগাই নদী থেকে উত্তোলিত বালুর ৩০-৫০ টন পর্যন্ত ওজনের ১০ চাকার ট্রাক চলাচল করায় ব্রিজটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ব্যাপারে শেরপুর জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা ব্রিজের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করি। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এরই মধ্যে আমরা ঐ ব্রিজ দিয়ে ১০ টনের অধিক ওজনের মালবাহী ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সাইনবোর্ড দিয়ে দিয়েছি। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতা পেলে এটা বন্ধ করা সম্ভব।