করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিত্সাসেবা দিতে গিয়ে এপর্যন্ত সারা দেশে তিন সহস্রাধিক চিকিত্সক ও স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন এবং ইতিমধ্যে ৩৬ জন চিকিত্সক মৃত্যুবরণ করেছেন। এই মহামারি মোকাবিলায় র্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ পুরো প্রশাসন সক্রিয় রয়েছে। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশ বাহিনীর সাত সহস্রাধিক সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ২৪ জন মারা গেছেন। এই বিপর্যয় মোকাবিলা করতে হলে অবশ্যই দায়িত্ব পালনকারী সকল পক্ষের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। চিকিত্সক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মধ্যে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়লে স্বাস্থ্যব্যবস্থাই অকার্যকর হয়ে পড়তে পারে।
পরিবারের কোনো সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে বা কোনো সদস্যের করোনা উপসর্গ দেখা দিলে, অন্যরা সুরক্ষিত থেকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে বাড়িতে রেখে চিকিত্সার কৌশল সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে হবে। দেখা যাচ্ছে, পরিবারের একজন আক্রান্ত হলে অন্যদের মধ্যেও ভাইরাসটি দ্রুত সংক্রমিত হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, জনসচেতনতার অভাবেই ভাইরাসটি বেশি ছড়াচ্ছে। করোনা মোকাবিলাকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমের সহায়তায় স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে ব্যাপক প্রচারণার ব্যবস্থা নিতে হবে। এই ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে প্রতিরোধ করা কঠিন হলেও কৌশল জানা থাকলে এর সংক্রমণ থেকে নিজেকে এবং অন্যকেও মুক্ত রাখা কঠিন কাজ নয়।
বিপ্লব বিশ্বাস
গোয়ালচামট, ফরিদপুর