করোনা ভাইরাসের অনাকাঙ্ক্ষিত বিরতির পর লা লিগার অনেক কিছু পালটালেও, পালটাননি লিওনেল মেসি। বার্সেলোনার কাণ্ডারি লিওনেল মেসি মঙ্গলবার রাতেও গোল করলেন, বার্সেলোনা ২-০ গোলে হারালো লেগানেসকে।
নিজেদের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে আনসু ফাতি প্রথমার্ধের শেষ দিকে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ান মেসি। ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে এটি মেসির ৬৯৯তম গোল। চলতি আসরে ২১তম। করিম বেনজেমার চেয়ে অনেকটা এগিয়ে থেকে গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে আছেন বার্সেলোনা অধিনায়ক।
অন্যদিকে, বার্সার মাঠে মেসির গোল করা ও করানোর সংখ্যা দাঁড়াল ৪৯৯-এ। মানে আর মাত্র একটা গোল করলেই দুটি অনন্য মাইলফলকে চলে যাবে এই আর্জেন্টাইনের নাম।
দুই দলের প্রথম দেখায় পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-১ গোলে জিতেছিল বার্সেলোনা। গেলবারের মতো এবারও জয় পেতে নিজেদের সামর্থ্যকে উজাড় করে দিয়েই খেলতে হয়েছে বার্সাকে। জয়ের রাস্তা সহজ না হলেও জয়রথ ধরে রেখে তৃপ্ত স্বাগতিকরা।
ক্রোয়াট তারকা ইভান রাকিটিচ বলেন, ‘যদিও আজ (মঙ্গলবার) যেমনটা খেলেছি, তার চেয়ে বেশি গতি আমাদের খেলায় থাকা দরকার ছিল, কিন্তু জয়ের ধারায় থাকা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ৬ পয়েন্ট পেয়েছি (দুই ম্যাচে) এবং প্রতিটি ম্যাচে আমরা নিজেদের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছি। এটা খুব জরুরি।
ম্যাচটা কঠিন ছিল বলেই রাকিটিচরা জয়ে স্বস্তি পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এই পর্যায়ে সব দলই অনেক ঝুঁকির মধ্যে থাকে; আমরা কঠিন ম্যাচের প্রত্যাশা করেছিলাম। জায়গা খুঁজে পাওয়ার কাজটা তারা আমাদের জন্য কঠিন করে তুলেছিল। তারা কিছু কড়া ট্যাকল করেছিল, কিন্তু ম্যাচ এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের জন্য পরিস্থিতি সহজ হয়ে গেল।’
বার্সেলোনার জন্য তৃপ্তিদায়ক আরেকটি ব্যাপার হলো, চোট থেকে ফিরে নেমেই করা আনসু ফাতির গোল। আক্রমণে ও রক্ষণে ১৭ বছর বয়সী এই তরুণের ভূমিকা নজর কেড়েছে বার্সেলোনা কোচ কিকে সেতিয়েনের।
তিনি বলেন, ‘আক্রমণ ও রক্ষণ-দুই জায়গাতে সে ভালো খেলেছে। এটা সত্যি যে, কিছু জায়গায় তার ঘাটতি আছে। চোট সমস্যার কারণে কিছুদিন অনুশীলন থেকে বিরত থাকায় তার যে ধারাবাহিকতার প্রয়োজন, সেটা এখনো পায়নি। যখনই সে মাঠে নেমেছে, ভালো খেলেছে, কিন্তু ঐ (চোট) সমস্যাগুলোর কারণে আমি তাকে আর কোনো ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে চাই না।’