বন্যার আশঙ্কায় তিস্তাপারের মানুষ

তিস্তা নদীতে হঠাত্ করেই পানি বেড়ে যাওয়ায় তিস্তা সেচ প্রকল্প ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে পানি বিপত্সীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় এই পয়েন্টে নদীর পানি ৫২ দশমিক ৫০ মিটার রেকর্ড করা হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র অবশ্য বলেছে, বছরের এই সময় এটি স্বাভাবিক পানি প্রবাহ। উজানে ভারতে বেশি বৃষ্টিপাতের কারণে এই পানি প্রবাহ বৃদ্ধি। অন্যদিকে ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়ে রংপুরের তিন উপজেলা, লালমনিরহাটের পাঁচটি ও কুড়িগ্রামের দুই উপজেলার চরাঞ্চলে আগাম বন্যা ও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে তিস্তা পাড়ের মানুষ বন্যার আশঙ্কা করছেন। উজানে ভারী বৃষ্টিপাতে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় লালমনিরহাটের দোয়ানীতে ব্যারেজ পয়েন্ট ও ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামোসমূহে রেড অ্যালার্ট জারি নিশ্চিত করেছেন পাউবোর উত্তরাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী জ্যোতিপ্রসাদ ঘোষ।

ব্যারাজ রক্ষার্থে ৪৪টি কপাট খুলে পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। জানা গেছে, গত দুই দিন ধরে ভারী বর্ষণের ফলে তিস্তা নদীর চর এলাকার লোকজন পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নতুন করে দেখা দিয়েছে নদীভাঙন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)র রংপুরের নির্বাহী প্রকোশলী      মো. মেহেদি হাসান জানান, কিছু নিচু এলাকা ভাঙনের কবলে পড়েছে। তবে বড়ো ধরনের নদীভাঙনের খবর আমরা পাইনি।

পাউবোর দোয়ানী ডালিয়ার নির্বাহী প্রকোশলী রবিউল ইসলাম জানান, বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধিতে চর এলাকার কিছু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।