২৫ কার্যদিবসে ৩৯ হাজার আসামির জামিন

মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে চালু করা হয়েছে ভার্চুয়াল কোর্ট। উচ্চ ও নিম্ন আদালতের বিচারক, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থী জনগণকে করোনা ভাইরাসের হাত থেকে সুরক্ষা দিতেই এই আদালত পদ্ধতি চালু করা হয়। এ লক্ষ্যে গত ২৫ কার্যদিবসে দেশের অধস্তন আদালতের ভার্চুয়াল কোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন ৩৯ হাজার ২০২ জন। গতকাল শনিবার সুপ্রিম কোর্ট থেকে পাঠানো বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। জামিনপ্রাপ্তরা হত্যা, ধর্ষণ, ডাকাতি, চুরিসহ বিভিন্ন প্রকৃতির ফৌজদারি মামলার আসামি।

এদিকে করোনা ভাইরাসজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাড়ানো হয়েছে ভার্চুয়াল কোর্টের মেয়াদ। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এ কোর্ট চালু থাকবে।

সুপ্রিম কোর্ট থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ১১ মে থেকে অধস্তন আদালতের বিভিন্ন পর্যায়ে কয়েকশত ভার্চুয়াল কোর্ট চালু রয়েছে। এসব কোর্টে আইনজীবীরা ই-মেইলের মাধ্যমে জামিনের দরখাস্ত দাখিল করছেন। আটটি বিভাগের জেলা ও দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ২৫ কার্যদিবসে ৭৩ হাজার ১১৬টি জামিনের আবেদন দাখিল হয়েছে। দাখিলকৃত এসব আবেদন নিষ্পত্তি করে জামিন দেওয়া হয়েছে ৩৯ হাজার ২০২ জন আসামিকে। জামিনপ্রাপ্তদের অধিকাংশই কারামুক্তি পেয়েছেন। যারা পাননি তাদের মুক্তির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন হাইকোর্টের স্পেশাল অফিসার মো. সাইফুর রহমান। তিনি জানান, গত এক সপ্তাহে বিচারকরা ১২ হাজার  ৬৯৭টি জামিনের দরখাস্ত গ্রহণ করেন। এর মধ্যে জামিন পেয়েছেন ৬ হাজার ৪৭ জন। এদিকে একইসময়ে ভার্চুয়াল আদালতের মাধ্যমে জামিনপ্রাপ্ত শিশুর সংখ্যা ৫৩৬ জন। জামিনপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে ৪৭১ শিশুকে অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।