ডায়রিয়ার চিকিত্সায় ব্যয় ৩ লাখ টাকা

সামান্য ডায়রিয়া রোগের চিকিত্সা করে ৩ লাখ টাকা বিল নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজধানীর বনশ্রীর ৮ নম্বর অ্যাভিনিউর এইচ ব্লকে অবস্থিত ইয়ামাগাতা-ঢাকা ফ্রেন্ডশিপ জেনারেল হাসপাতালের বিরুদ্ধে। চিকিত্সা নেওয়া সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মনিরুজ্জামান হাওলাদার অভিযোগ করেন, ডায়রিয়াকালীন পানিশূন্যতার কারণে তার শরীরে সোডিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়। এই চিকিত্সা নেওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ২ লাখ ৯০ হাজার টাকার বিল জোরপূর্বক আদায় করেছে।

এ ব্যাপারে ইয়ামাগাতা-ঢাকা ফ্রেন্ডশিপ জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হানিফ বলেন, ঐ রোগী ৯ দিন হাসপাতালের সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) ভর্তি ছিলেন। ডায়রিয়া পানি শূন্যতাসহ আরো বেশ কয়েকটি অসুখে ভুগছিলেন। এসব চিকিত্সা করিয়ে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ করা হয়। হয়তো তিনি এই বিলের ওপর ডিসকাউন্ট সুবিধা দাবি করতে পারতেন। সেটা না করে তিনি সুস্থ হয়ে হাসপাতালের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী রোগী মো. মনিরুজ্জামান হাওলাদার অভিযোগ করেন, ২ জুন সন্ধ্যার পর তিনি ইয়ামাগাতা হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি হন। ১০ জুন সুস্থ হওয়ার পর তার বিল দেওয়া হয় ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এটা চিকিত্সার নামে প্রতারণা।

ইয়ামাগাতা-ঢাকা ফ্রেন্ডশিপ জেনারেল হাসপাতালের সিসিইউর ডা. তারিকুজ্জামান বলেন, রোগীর ডায়রিয়াজনিত কারণে শরীরে সোডিয়ামের ঘাটতি হয়ে যায়। তিনি হার্টের রোগী হিসেবে ডাইইউরেটিক নামে একটি ওষুধ সেবন করতেন। সেটি সেবন করার পর তার সোডিয়ামের ঘাটতির মাত্রা বেড়ে যেত। এছাড়া তার ফুসফুসেও ইনফেকশন হয়েছিল। তার চিকিত্সার কোনো ত্রুটি নেই। চিকিত্সা বিলের ওপর তিনি ডিসকাউন্ট সুবিধা নেননি।