গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের তালুক বেলকা গ্রামে তিস্তার শাখা নদীর ওপর স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত হচ্ছে একটি বাঁশের সাঁকো। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে তালুক বেলকা ও পার্শ্ববর্তী দহবন্দ ইউনিয়নের উত্তর ধুমাইটারি গ্রামের যুবকরা নিজেরা অর্থ সংগ্রহ করে প্রায় ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্য এ সাঁকোটি তৈরি করছেন। ইতিমধ্যে শতকরা ৮০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে অর্থাভাবে সাঁকোর ছাউনি তৈরির অবশিষ্ট কাজ আটকে রয়েছে।
তালুক বেলকা গ্রামবাসী জানায়, তালুক বেলকা গ্রামের মধ্য দিয়ে তিস্তার শাখা নদীটি প্রবাহিত। নদীর ওপর কোনো সাঁকো বা ব্রিজ না থাকায় এ এলাকার মানুষ প্রায় সারা বছরই নৌকায় পারাপার হয়ে উপজেলা শহরে যাতায়াত করে থাকেন। এই বাস্তবতায় শাখা নদীর ওপর স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো তৈরির পরিকল্পনা করা হয়। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বাঁশের সাঁকোটি তৈরি করা হচ্ছে। এজন্য কেউ দিয়েছেন বাঁশ, কেউ টাকা, আবার কেউ দিয়েছেন কাঠ। কিন্তু বর্তমানে অর্থাভাবে সাঁকোর ওপর ছাউনি তৈরির অবশিষ্ট কাজ আটকে রয়েছে। অথচ সাঁকোটি নির্মিত হলে তালুক বেলকা ও উত্তর ধুমাইটারি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ উপকৃত হবে। এ ছাড়া ধুমাইটারি ফাজিল মাদ্রাসা ও পঞ্চানন্দ আর ইউ দাখিল মাদ্রাসার পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর যাতায়াতে সুবিধা হবে।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবুল মুনছুর বলেন, এই মুহূর্তে সাকোর স্থলে সেতু নির্মাণের কোনো কর্মসূচি নেই। তবে এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো প্রস্তাবটি অনুমোদন হলে সেতু নির্মাণ করা হবে।