স্পোর্টস ডেস্ক
রিয়াল সোসিয়েদাদের মাঠে কঠিন এক সূচিতে ২-১ ব্যবধানের জয়, তাতে শীর্ষেও উঠে এসেছে রিয়াল মাদ্রিদ। এদিন গোল করে লিগের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা ডিফেন্ডার বনে গেছেন সার্জিও রামোস। তবে এসবকেও ছাপিয়ে আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠল ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিসটেন্ট রেফারি)।
তাতে রিয়াল মাদ্রিদ কোচ জিনেদিন জিদান প্রকাশ করলেন যারপরনাই বিরক্তি। যদিও তিনটে সিদ্ধান্তই হলো ভিএআরে। আবার সবগুলোতেই সিদ্ধান্ত এসেছে রিয়াল মাদ্রিদের পক্ষে। বিতর্ক তাই স্বাভাবিক। ৫০ মিনিটে নিজেদের বিপত্সীমায় ভিনিসিয়াসকে ফাউল করেন দিয়েগো ইয়োরেন্তে। ভিএআর দেখে এসে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। পেনাল্টি থেকে গোল করে সার্জিও রামোস ৬৮ গোল নিয়ে লা লিগা ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা ডিফেন্ডারে পরিণত হন।
এরপর ৬৮ মিনিটে আদনান ইয়ানুজাইয়ের শট রিয়াল রক্ষণ ভাঙলেও সোসিয়েদাদকে সমতায় ফিরতে দেয়নি ভিএআর। দেখা যায়, শটের সময় গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়ার দৃষ্টি আটকে দাঁড়িয়েছিলেন মিকেল মারিনো।
দুই মিনিট পর ফেদেরিকো ভালভার্দের বাড়ানো বল থেকে ব্যবধান বাড়ান করিম বেনজেমা। বিতর্ক জড়িয়ে ছিল তাতেও। দীর্ঘ সময় নিয়ে ভিএআর দেখার পর গোলটা দেওয়া হয়। কিন্তু আয়ত্তে নেওয়ার সময়ে বলটা বাহুতে লেগেছিল কিনা তা নিয়ে সংশয় থেকে যায়।
মারিনর ৮৩ মিনিটে ব্যবধান কমালেও সমতা আর ফেরানো হয়নি সোসিয়েদাদের। ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে শীর্ষে উঠে আসে রিয়াল। পয়েন্টে বার্সার সমান হলেও মুখোমুখি লড়াইয়ে কাতালান ক্লাবটিকে হারানোর ঘটনা এগিয়ে রেখেছে রিয়ালকে।
রিয়াল সোসিয়েদাদ মিডফিল্ডার মিকেল মারিনো সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা যেভাবে হেরেছি তা নিয়ে ক্ষুব্ধ। সব সিদ্ধান্তই আমাদের বিপক্ষে গেছে। অফসাইডের সময়ে কোর্তোয়া থেকে পাঁচ মিটার দূরে ছিলাম। ব্যাপারটা রিয়ালের অর্ধে হলেও এমন হতো কিনা কে জানে! আমি মনে করি, আমরা অন্যায়ের শিকার হয়েছি।’
এর আগে ভ্যালেন্সিয়া ম্যাচেও বাতিল হয় তাদের একটি গোল, কোচ আলবার্ত সেলাদেসও অভিযোগ করেছিলেন রেফারিং নিয়ে। এরপর মারিনোর এমন বক্তব্য বিতর্কের আগুনে ঘি ঢেলেছে।
জিদান অবশ্য এতে কিছুটা বিরক্ত। বললেন, ‘আমার খুব রাগ হচ্ছে। রেফারিং নিয়ে সবাই এমন আলোচনা করছে যেন আমরা কিছুই করিনি! আমাকে বলা হয়েছে ভিনিসিয়াস ফাউলের শিকার হয়েছে আর করিমের গোলটা ন্যায্য ছিল। বিতর্কে যেতে চাচ্ছি না, কারণ এটা রেফারির কাজ। আমি বিশ্বাস করছি যে এটা আমাদের ন্যায্য জয়।’