নোয়াখালীতে কিট সংকট ভোগান্তি চরমে

কিট সংকটের কারণে গত চার দিন ধরে নোয়াখালী আবদুল মালেক মেডিক্যাল কলেজে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা বন্ধ ছিল। এতে  নমুনা প্রদানকারী দুই সহস্রাধিক ব্যক্তি ভোগান্তি ও চরম হতাশার মধ্যে রয়েছেন। তবে গতকাল মঙ্গলবার বিকালে ১ হাজার ৪০০ কিট পৌঁছেছে।

জানা যায়, নোয়াখালী আবদুল মালেক মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে জেলা শহর ও তথা নোয়াখালী পৌরসভা, বেগমগঞ্জ, চাটখিল, সোনাইমুড়ী  ও সেনবাগ এবং ফেনী জেলার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। গত শুক্রবার থেকে এ ল্যাবে কিট সংকট দেখা দিলে নমুনা পরীক্ষার জট বেঁধে যায়। এতে নমুনা প্রদানকারী ব্যক্তি তাদের উপসর্গের  রিপোর্ট জানতে না পেরে চরম হতাশার মধ্যে রয়েছেন। এদের মধ্যে অনেকে রাস্তায় বের হয়ে সংক্রমণ ছড়াচ্ছেন। আবার অনেকে অসুস্থ অবস্থায় বাসায় থেকে দুশ্চিতায় রয়েছেন।

আবদুল মালেক মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবের সমন্বয়ক ডা. ফজলে এলাহী খান জানান,  এ ল্যাব ১ হাজার নমুনা পরীক্ষা ক্ষমতাসম্পন্ন। কিন্তু গত চার দিন কিট সংকট থাকায় দুই জেলার ২ হাজার ৫০০ নমুনা পরীক্ষায় জট বেঁধে যায়। তবে গতকাল ১ হাজার ৪০০ কিট পৌঁছে। এরপর থেকে শুরু হয় নমুনা পরীক্ষা। যার কারণে নমুনার রিপোর্ট প্রদানে কয়েক দিন লেগে যাবে। তিনি আরো জানান, প্রতিদিন এ ল্যাবে পরীক্ষার জন্য ৫০০ নমুনা আসে। এ পরিমাণ কিট পেলে প্রতিদিনের রিপোর্ট প্রতিদিন দেওয়া যেত।  অন্য দিকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে জেলার উপজেলা সদরের একাংশ, কবিরহাট, কোম্পানীগঞ্জ, সুবর্ণরচর ও হাতিয়া এবং লক্ষ্মীপুর জেলার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ ল্যাবে ২০০ থেকে ২৫০   নমুনা পরীক্ষা করা হয় এবং প্রতিদিনের রিপোর্ট প্রতিদিন দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ল্যাবের সমন্বয়ক প্রফেসর  ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর।