ছড়িয়ে থাকা একাডেমি নিয়ে বাফুফের পরিকল্পনা

কোনো দিন খবরও নেওয়া হয়নি। দেশের ফুটবলে কত একাডেমি আছে সেটা সংখ্যায় জানা ছিল না বাফুফের। এখন দেরিতে হলেও একাডেমিগুলোকে নিয়ে একটা মালাগাঁথার প্রয়োজন অনুভব করছে বাফুফে। টেকনিক্যাল কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আগামী ১ জুলাই হতে একাডেমি তালিকাভুক্তকরণের কথা জানিয়েছে বাফুফে। সেদিন থেকে ফরম বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ। দেশ জুড়ে ফরম বিতরণ করা হবে। তাহলে আগে যে জানিয়েছিল ১২০টি একাডেমির জন্য বাছাই করা একটা তালিকা বাফুফের হাতে রয়েছে। সেটির কি হবে? সোহাগ বললেন, ‘সেটি এক বছর আগে তালিকা করা হয়েছিল। এখন কে কোথায় আছে। আমরা নতুন করে একটা তালিকা করব।’ একাডেমির জন্য এই তালিকা করে কি হবে ?  বাফুফের সাধারণ সম্পাদক বললেন, ‘একাডেমিগুলোকে একটা প্রকল্পের আওতায় আনছি। নাম দেওয়া হয়েছে একাডেমি অ্যাক্রিডিটেশন স্কিম। এই তালিকায় যারা থাকবে তারা অনেক ক্ষেত্রেই নানা সুযোগ পাবে। যেমন আমরা খেলোয়াড় বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অ্যাক্রিডিটেশন স্কিমে থাকা তালিকাভুক্তদের সুযোগ দেওয়া। একাডেমির খেলোয়াড়রাও ট্রায়ালের সুুযোগ পাবে খুব সহজে।’ ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা নিয়ে বললেন, ‘যদি সম্ভব হয় একাডেমি টুর্নামেন্টের আয়োজক করা হবে। এটা ভবিষ্যতের কথা।’  

কেউ চাইলেই স্কিমের আওতায় আসতে পারবে না। খতিয়ে দেখা হবে যারা একাডেমি করছে সেটা কত দিন ধরে। ছেলেমেয়ে নিয়া। আবাসিক না অনাবাসিক। কোচ যোগ্যতায় খেলা শেখাচ্ছেন। কোচের কোচিং কোর্স সার্টিফিকেট রয়েছে কিনা। একাডেমির স্পন্সর কারা। ফুটবলের জন্য তারা কীভাবে কাজ করছে। অনেক কিছুই খতিয়ে দেখবে। এরপর বাফুফে তিন স্তরের একটি তালিকা তেরি করবে। ওয়ান স্টার, টু স্টার এবং থ্রী স্টার শ্রেণি বিন্যাস করা হবে। তবে আবু নাইম সোহাগ জানিয়েছেন, যারা ওয়ান স্টার ক্যাটাগরিতে থাকবেন তারা স্বাভাবিকভাবেই একটু অগ্রাধিকার পাবেন। যেমন কখনো বাফুফে হতে কোনো সহযোগিতা দেওয়া হলে ওয়ান স্টার একাডেমিগুলো সুযোগ পাবে। কি ধরনের সহযোগিতা? সেটা হতে পারে ফুটবল দেওয়া, কোচ লাগলেও সম্ভব হলে কোচ পাঠিয়ে সহযোগিতা করা, কোচরা কোচিং কোর্স করতে চাইলে যোগ্যতা অনুসারে কোর্সের টেবিলে বসার সুযোগ করে দেওয়া। সোহাগ বললেন, ‘এভাবে এখনই তো সবকিছু বলা যাবে না। সময়ের প্রয়োজনে পরিস্থিতির ওপরও অনেক কিছু নির্ভর করছে।’