পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মিজানুর রহমান মিজান নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছে। নিহত মিজান উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের নাসির উদ্দিন ভুট্টুর ছেলে।
জানা গেছে, বুধবার গভীর রাতে উপজেলার পূর্ব জগতবেড় সীমান্তের ৮৬২ নম্বর মেইন পিলারের পাশ দিয়ে পাঁচ-ছয় জনের একটি দল ভারতে গরু আনতে যায়। এ সময় কাঁটাতারের বেড়ার কাছে গেলে ভারতীয় ১৪০ রানীনগর বিএসএফ ব্যাটালিয়নের চুয়াংগারখাতা ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা গুলি ছুড়লে মিজানুর রহমান মিজান গুলিবিদ্ধ হয়। সহযোগীরা উদ্ধার করে পাটগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের শমসের নগর ক্যাম্পের সুবেদার সুলতান হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে বিএসএফকে প্রতিবাদ জানিয়ে পতাকা বৈঠকের চেষ্টা চলছে।
পাটগ্রাম থানার ওসি সুমন কুমার মহন্ত জানান, নিহত যুবকের ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেছেন।
হালুয়াঘাট সীমান্তে নিহত যুবকের লাশ হস্তান্তর
এদিকে হলুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা জানান, হালুয়াঘাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবকের লাশ তিন দিন পর বিজিবির কাছে হস্তান্তার করেছে বিএসএফ। গত মঙ্গলবার রাতে গোবরাকুড়া বিজিবি ক্যাম্পের কাছে বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া সংলগ্ন স্থানে জলিল নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করে বিএসএফ। পরে বিএসএফ-বিজিবির পতাকা বৈঠকে বুধবার নিহতের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে বিজিবির কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত হয়। ঐদিন সীমান্তে বিজিবিসহ স্থানীয় শত শত মানুষ লাশ গ্রহণের অপেক্ষায় থাকলেও কাগজপত্রের অজুহাতে বিএসএফ লাশ দিতে আপত্তি জানায়। বৃহস্পতিবার দুই দেশের পতাকা বৈঠক শেষে নিহত জলিলের লাশ গ্রহণ করে তার পরিবার।