এমপি পাপুলের নাম মার্কিন মানবপাচার প্রতিবেদনেও

যুক্তরাষ্ট্রের মানবপাচার রিপোর্টে উঠে এসেছে কুয়েতে গ্রেফতার লক্ষীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের নাম। বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে কয়েকজন সংসদ সদস্যসহ সরকারি কর্মকর্তারা বিদেশে চাকরি দেওয়ার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। যা অভিবাসনবান্ধব পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে সাংঘর্ষিক। কুয়েতি কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে ২০ হাজার বাংলাদেশিকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কুয়েতে নিয়ে যায় এমপি পাপুল। তাদের যে বেতন নির্ধারণ করা হয়েছিল তার থেকে কম বেতন পেয়েছে অথবা একদম পায়নি। 

এদিকে মানব ও অর্থপাচারের অভিযোগে পাপুলকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে তার সঙ্গে সম্পৃক্ত এক কুয়েতি নারী ব্যবসায়ীকে জামিন দিয়েছে কুয়েতের সরকারি কৌঁসুলিরা। দুই হাজার কুয়েতি দিনারের মুচলেকায় ওই নারীকে জামিন দেওয়া হলেও তার দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার কুয়েতি সংবাদমাধ্যম আল সিয়াসাহ ডেইলির বরাত দিয়ে আরব টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ৬ জুন মানব ও অর্থ পাচারের অভিযোগে কাজী পাপুলকে গ্রেফতার করে কুয়েতের সিআইডির সদস্যরা।  তার বিরুদ্ধে জালিয়াতি করে কর্মী নিয়োগ, রেসিডেন্সি আইনের লংঘন ও ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ আনা হচ্ছে। এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে কুয়েতের সরকারী কৌঁসুলিদের কাছে সাক্ষ্য দিয়েছেন ১২ বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মী। ইতিমধ্যে কাজী পাপুল ও তার কোম্পানির ব্যাংক হিসাবে থাকা প্রায় ১৩৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা জব্দ করতে কুয়েতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে আবেদন করেছে কৌঁসুলিরা।