বন্যায় ছাতকের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

দু’দিনের টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সুরমা, চেলা, মরা চেলা, পিয়াইন, চিলাইনদীসহ দু'উপজেলার সকল নদ নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বন্যার পানি হাওর ও খাল-বিলে থৈ থৈ করছে। অব্যাহত পানি বৃদ্ধির ফলে ছাতক দোয়ারাবাজারে প্রবল বন্যার আশংকা করা হচ্ছে। 

সুরমা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে শুক্রবার দুপুরে দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন আব্দুল হেকিম ও আব্দুল মছব্বিরের দুটি দোকান তলিয়ে গেছে। ছাতকের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় ভেসে গেছে ক্ষেতের ফসল, সবজি বাগান ও অনেকগুলো মৎস্য খামার। উপজেলার নোয়ারাই, ইসলামপুর, জাউয়া, চরমহল্লা, ভাতগাও ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামীন রাস্তা ও হাটবাজারে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। ইসলামপুর ইউনিয়নে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার লোক। এসব এলাকায় নদী ভাঙ্গনও প্রকট আকার ধারণ করেছে। 

দোয়ারা উপজেলার প্রবেশ মুখে দোয়ারাবাজার-সুরমা, বগুলা-লক্ষীপুর সড়কের বিভিন্ন অংশ বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। ঢুকে পড়েছে বন্যার পানি সুরমা ইউনিয়নের মহব্বতপুর বাজারে। পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে দোয়ারা উপজেলা সদরের সাথে সুরমা, বগুলা, লক্ষীপুর, বাংলাবাজার (আংশিক) ও নরসিংপুর ইউনিয়বাসীর সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এদিকে ছাতক উপজেলা সদরের সাথে ইসলামপুর ইউনিয়ন ও ভাতগাও ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত এখানের সুরমা, চেলা, পিয়াইন, মরাচেলা নদীতে পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এ ব্যাপারে ছাতক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. গোলাম কবির জানান, বন্যার পানি এখনো ক্ষতির পর্যায়ে পৌছায় নি। তবে দূর্যোগ মোকাবেলায় এখানে সবধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। 

দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. সোনিয়া সুলতানা জানান, উপজেলার ক'টি হাটবাজার ও রাস্তাঘাটে বন্যার পানি ঢুকেছে। বন্যার দূর্যোগ কাটাতে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

ইত্তেফাক/কেকে