কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে কিশোরগঞ্জ উপজেলার যমুনেশ্বরী ও চাঁড়ালকাঁটা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙ্গন। গত কয়েকদিনের ভাঙ্গনের ফলে উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের ৫শ পরিবার, আবাদী জমি, রাস্তা ঘাট, ব্রীজ ভাঙ্গনের হুমকিতে রয়েছে। সবচেয়ে বেশি হুমকিতে রয়েছে কোটি কোটি টাকা ব্যায় করে নির্মিত চাঁদখানা ইউনিয়নের সারোভাষা ব্রীজটি।
সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এবং কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোফাখারুল ইসলাম জানান, কয়েকদিনের টানা বর্ষণ, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত এবং নদী খননের জন্য পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের সাত থেকে আটটি গ্রামের প্রায় ৫শ টি পরিবার মাদ্রাসা এতিমখানা রাস্তাঘাট, ব্রীজ কালভার্ট এবং চাঁদখানা ইউনিয়নের সারোভাষা গ্রামের ঘাটের পাড়ে নির্মিত কোটি টাকার ব্রীজটি হুমকির মধ্যে রয়েছে।
তিনি আরো জানান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম বারী পাইলট, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কালাম আজাদসহ নদী ভাঙ্গন এলাকাগুলি পরিদর্শন করে এসেছি। খুব তাড়াতাড়ি ভাঙ্গন কবলিত এলাকাগুলি ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কালাম আজাদ বলেন, জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান স্যারের নির্দেশে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত এবং সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতিতে কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের তেলিপাড়া, যুগিপাড়া, রুপালি কেশবা, ময়দানপাড়া, এবং চাঁদখানা ইউনিয়নের সারোভাষা এলাকায় নদী ভাঙ্গন পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছি। সেই সাথে নদী ভাঙ্গনের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি