ইংল্যান্ড গেল পাকিস্তান দল

স্পোর্টস ডেস্ক

জল্পনা-কল্পনার অবসান হল। পাকিস্তান দল গেল ইংল্যান্ড সফরে। সফরের সূচি এখনো চূড়ান্ত না হলেও ইংল্যান্ডের মাটিতে তিনটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলার কথা সফরকারীদের। গতকাল দুপুরে করোনা ভাইরাসের প্রকোপের মাঝেই পাকিস্তানের লাহোর থেকে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারের উদ্দেশ্যে বিমানে ওঠে পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা।

এই বহরে ছিলেন ২০ জন ক্রিকেটার ও ১১ জন স্টাফ। সেখানে গিয়ে আরেক দফা কোভিড-১৯ পরীক্ষার পর ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকবেন তারা।

দেশ ছাড়ার আগেই অবশ্য দুই ধাপে খেলোয়াড়দের কোভিড ১৯ পরীক্ষা করায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। প্রথম দফায় ১০ জনের ‘পজিটিভ’ আসলেও দ্বিতীয় দফায় তাদের মধ্য থেকে ছয় জনের ‘নেগেটিভ’ আসে। আগামী সপ্তাহে তাদের নেগেটিভ ফলাফল আসা ছয় জনের পুনরায় পরীক্ষা করানো হবে। দ্বিতীয়বার পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এলেই কেবল ইংল্যান্ডে যাবেন তারা।

এবার যাদের পজিটিভ এসেছে তাদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দিয়েছে পিসিবি। এরপর দুইবার পরীক্ষায় নেগেটিভ এলে ইংল্যান্ডে যেতে পারবেন তারাও।

দেশ ছাড়ার আগে আশাবাদের বার্তা ছড়িয়ে গেলেন টেস্ট অধিনায়ক আজহার আলী। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, যদি আমাদের ব্যাটসম্যানরা যদি ৩০০ বা এর বেশি রান তুলতে পারে, তাহলে আমরা ইংল্যান্ডকে হারাতে পারব। গত কয়েকটা সফরে আমরা ভালো পারফরম করেছি।’

পাকিস্তানি অধিনায়ককে আশাবাদী করছে তার দলের বোলিং আক্রমণ। তিনি বলেন, ‘আমাদের পেস ও স্পিন আক্রমণ ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের ভালোই পরীক্ষা নেবে। শাহীন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ কিংবা মোহাম্মদ হাসনাইনের ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে ভালো করার সামর্থ্য আছে। তরুণ হলেও, ওদের অভিজ্ঞতায় আমার আস্থা আছে।’

ইংল্যান্ড বলেই কি না আজহার মনে করছেন বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে পেসারদের। আর এখন থেকে আইসিসি লালা ব্যবহারে যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, সেটাও মাথায় রাখছেন আজহার। তিনি বলেন, ‘লালা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা বড় কোনো সমস্যা নয়। আর এখনকার বল অনেক লম্বা সময় ধরে চকচকে থাকে। আর ঘামের ব্যবহার তো আমরা করতেই পারব। আর লালা ব্যবহার না করার মানে হলো বোলারদের রিভার্স সুইং করানোর সুযোগ অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। ফলে, পেসারদের সেই চেষ্টাটাই করে যেতে হবে।’