মৃণাল কান্তি জয়ধর
আগৈলঝাড়ায় আওয়ামী লীগের নেতা মৃণাল কান্তি জয়ধর আর নেই। শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় ৫৮ বছর বয়সে হূদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষনিঃশ্বাষ ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অগণিত আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। মৃণাল কান্তি জয়ধর দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে বাকাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে জাতির পিতার ভাগনে, মন্ত্রী আলহাজ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ আত্মার শান্তি কামনা করে শোকার্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রইচ সেরনিয়াবাত। রবিবার সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ, সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. লিটন, বাকাল ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাস মৃণাল কান্তি জয়ধরের বাড়িতে গিয়ে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দসহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শেখ মো. জুলফিকার আলী
পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি উপজেলার ব্যাসকাঠি পার্টিকেলবাড়ী নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক কর কমিশনার শেখ মো. জুলফিকার আলী (৭২) শনিবার ঢাকায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ... রাজিউন)। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। গতকাল রবিবার ঐ মাদ্রাসার মাঠে জানাজা শেষে ব্যাসকাঠি গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। তার মৃত্যুতে সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহ আলমসহ সমাজের বিশিষ্টজনেরা শোক প্রকাশ করেন।
আবুল হোসাইন সেখ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলাসংলগ্ন মাগুরা গ্রামের শাফি ব্রিক্সের মালিক মৃত আলহাজ শাফিউদ্দিনের মেজ পুত্র আলহাজ আবুল হোসাইন সেখ (৪৮) গতকাল রবিবার (২৮ জুন ২০২০) আনুমানিক বেলা সাড়ে ১০ ঘটিকায় হূদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ... রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস ও কিডনিজনিত রোগে ভুগছিলেন। মরহুমের মৃত্যুতে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, সহকারী অধ্যাপক মো. মোরাদ হোসেন তালুকদার, পৌরসভার চেয়ারম্যান মো. সাইফুর রহমার, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আহাদুল হাসান আহাদ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বাদ মাগরিব মরহুমের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
০