সোনালী ব্যাংক ঝিনাইদহ জেলা প্রিন্সিপাল কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের উপর হামলা চালিয়েছে সিবিএ নেতারা। এতে ওই শাখার বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছে। একইসঙ্গে ওই শাখায় ভাঙচুরেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এবিষয়ে হামলার শিকার হওয়া কর্মকর্তারা প্রশাসনিক ব্যবস্থাসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে স্থানীয় কার্যালয়সহ প্রধান কার্যালয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। যার অনুলিপি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীর কাছেও পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, গত বুধবার জেলা প্রিন্সিপাল কার্যালয়ের এজিএম (ইনচার্জ) এম এ মজিদের সঙ্গে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে যান কয়েকজন শাখা ম্যানেজারসহ কর্মকর্তারা। আলোচনার এক পর্যায়ে কার্যালয়ের মধ্যেই অতর্কিত হামলা চালায় সাবেক সিবিএ নেতা আক্কাচ আলীর নেতৃত্বে ২৫-৩০ জন। হামলায় কার্যালয়ের মধ্যেই দুইজন সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসারকে প্রহার ও অপমান করা হয়েছে। এ সময় তাদেরকে মারধর, লাঞ্ছিত ও চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করে। সমগ্র অফিস একটি জিম্মি অবস্থায় পরিণত করা হয়েছিল। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে ৫ সদস্যের পুলিশ বাহিনী এসে ম্যানেজারসহ এজিএমকে উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় বিচার চেয়ে পাঠানো চিঠিতে হামলায় যারা জড়িত ছিল বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তারা হলেন- ঝিনাইদহ শাখার অফিসার আক্কাচ আলী। যিনি আগে সিবিএ নেতা ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারসহ নানান অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া অন্য হামলাকারীরা হলেন- শেখপাড়া বাজার শাখার অফিসার মো. হারুন-উর-রশিদ, রবিনারকেলবাড়িয়া শাখার অফিসার মন্টু কুমার ঘোষ, কালীগঞ্জ শাখার অফিসার মো. হাবিবুর রহমান, প্রিন্সিপাল অফিসের কর্মকর্তা মো. রোকন উদ্দিন। এরা সকলেই সিবিএ সদস্য ছিলেন। অফিসার হিসেবে নিয়োগ পাওয়া দু’জন কর্মকর্তাও জড়িত ছিলেন। এরা হলেন- শৈলকুপা শাখার সিনিয়র অফিসার ক্যাশ (যুগ্মজিম্মাদার) মো. নারশেদ আলী ও শৈলকুপা শাখার সিনিয়র অফিসার ক্যাশ মানবেন্দ্র।