আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সরকার ভার্চুয়াল আদালত অধ্যাদেশকে একটি স্থায়ী আইনে পরিণত করতে যাচ্ছে এবং খুব শিগিগরই এটি কার্যকর করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এই আইন পাশ হলে কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়েও ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনা করা যাবে এবং এর ফলে মামলা নিষ্পত্তিতে অর্থ ও সময় উভয়ই কম ব্যয় হবে।
তিনি বলেন, সরকার সাক্ষ্য আইন সংশোধন করার বিষয়েও কাজ করছে। এটা করা গেলে আইনি কার্যক্রমে কিছু ফাঁকফোকর কমতে পারে। গতকাল সোমবার ‘আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং কোভিড-১৯ পরবর্তী সামাজিক নিয়মনীতির প্রতিফলন’ শীর্ষক জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) বার্ষিক সভা-২০২০-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি আলোচক হিসেবে যুক্ত হয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এসব কথা বলেন।
বুরকিনা ফাসোর বিচারমন্ত্রী বেসলো রেনে বাগারো, আর্মেনিয়ার উপবিচারমন্ত্রী ক্রিস্টিনা গ্রিগোরান, শ্রীলঙ্কার মানবাধিকার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক ড. নিলম দীপিকসহ জাতিসংঘ ও ইউএনডিপির বিশেষজ্ঞগণ এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিগণ এই ভার্চুয়াল সভায় যুক্ত হন। ইউএনডিপির ক্রাইসিস ব্যুরোর উপপরিচালক জর্জ কুয়ে সভার সঞ্চালনা করেন। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউএনডিপি এডমিনিস্ট্রেটর অ্যাম স্টেইনার। সভায় বাংলাদেশের ভার্চুয়াল আদালত ব্যবস্থার ভূয়সী প্রশংসা করা হয়।