চট্টগ্রাম বন্দরের অধীনে নির্মাণাধীন মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, বে-টার্মিনালসহ চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকাণ্ডের জন্য হেলিকপ্টার ও উদ্ধারকারী জাহাজ কেনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। চট্টগ্রাম বন্দরকে বিশ্বের মধ্যে আধুনিক বন্দর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আরো ইকুইপমেন্টসহ সরঞ্জামাদি ক্রয় করা হবে। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরে ৫০ শয্যার কোভিড হাসপাতাল এবং নবনির্মিত হাসপাতাল ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এ বক্তব্য রাখেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বুড়িগঙ্গায় লঞ্চ দুর্ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সরকার কোভিড মোকাবিলায় এগিয়ে চলেছে। তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বে চিকিত্সা ব্যবস্থা থাকলেও কোভিড তাদের পর্যুদস্ত করে ফেলেছে। বাংলাদেশও করোনা সম্পর্কে আগে কোনো ধারণা না থাকায় অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। যেখানে একটি ল্যাবের মাধ্যমে করোনা টেস্ট হতো সেখানে বর্তমানে ৭০টি ল্যাবে পরীক্ষা চলছে।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কোভিড হাসপাতালে বন্দরের ৬-৭ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও এ অঞ্চলের সাধারণ জনগণ সেবা পাবেন। বন্দরের কোভিড হাসপাতালের জন্য ১৩ জন ডাক্তারসহ ১৫৯ জন নার্স, আয়া, কর্মচারীকে নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দরের নবনির্মিত ১৫০ শয্যার হাসপাতালকে উন্নত হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সব সুযোগসুবিধা নিশ্চিত করা হবে বলে জানান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শেখ মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।