ঝিনাইদহের গ্রামগঞ্জে কিছু মহাজন জমজমাট সুদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। আর এদের খপ্পরে পড়ে মানুষ সর্বস্বান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছু মহাজন ঋণ দিয়ে মাসিক শতকরা ১৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত সুদ আদায় করছে। ঋণ দেওয়ার সময় ঋণ গ্রহণকারীর কাছ থেকে ব্যাংকের ব্ল্যাংক চেকে সই নিয়ে রাখেন। এর পাশাপাশি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। টাকা শোধ করতে না পারলে ব্ল্যাংক চেকের পাতায় ইচ্ছামতো অঙ্কে বসিয়ে নেয়। তারপর মামলার ভয় দেখিয়ে চাপ দিতে থাকেন। কোনো কোনো মহাজন আদালতে মামলা করে দেয়। এরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে না।
শৈলকুপার ধুলিয়াপাড়া গ্রামের দীজেন্দ্র নাথ কর্মকার জানান, তিনি গ্রামের এক মহাজনের কাছ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। সাড়ে ৩৪ হাজার টাকা দিয়ে রক্ষা পেয়েছেন।
হরিনাকুন্ডু উপজেলার পার মথুরাপুর গ্রামের মেহের আলি বলেন, খাজুরা গ্রামের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তার ছেলে টাকা নিয়েছিল। জমি বিক্রি করে তিনি টাকা শোধ করেছেন।
সদর উপজেলার পোড়াহাটি ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হিরন বলেন, তার ইউনিয়নের অনেক গ্রামেই সুদের কারবারী আছে। মাঝে-মধ্যে সুদের টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধের শালিস করতে হয়।
জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’