শায়েস্তাগঞ্জে ভূতুড়ে বিল ও লোডশেডিংয়ে জনদুর্ভোগ

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ভূতুড়ে বিল আর লোড শেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। অভিযোগ রয়েছে করোনাকালেও ভূতুড়ে বিল পরিশোধে বাধ্য হচ্ছেন জনগণ। কারো কারো গতানুগতিকের চেয়ে দুই গুণ, তিন গুণ বিল এসেছে, ফলে বিপাকে আছেন অনেক গ্রাহক।

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার অলিপুরের বাসিন্দা রবিন মিয়া জানান, গত মাসে তিনি প্রতিদিন চারটায় দোকান লাগিয়ে চলে গেছেন, অথচ তার বিল এসেছে দ্বিগুণ। আবার কেউ কেউ বলছেন পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিটারের রিডিং না নিয়ে অফিসে বসেই মনগড়া রিডিং নির্ধারণ করেন তাই অতিরিক্ত বিল আসে। বেশ কিছুদিন থেকে বিদ্যুত্ গেলে আসতে প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগে। আবার কখনো রাতব্যাপী কখনো দিনব্যাপী চলে বিদ্যুতের লুকোচুরি খেলা। প্রায়ই দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে প্রতিবাদ করতে। হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মোতাহের হোসেন জানান, আমাদের একটি পাওয়ার ট্রান্সমিটার নষ্ট ছিল সেজন্য কিছু লোড শেডিং হয়েছে। পাওয়ার ট্রান্সমিটারটি মেরামত করা হয়েছে। লোড শেডিং অনেকাংশেই কমে যাবে। আর ভূতুড়ে বিলের বিষয়ে তিনি বলেন, করোনায় আমাদের জনবল সংকট ছিল, সবাই ঠিকমত রিডিং লিখে আনতে পারেননি। যাদের অতিরিক্ত বিল এসেছে অভিযোগ জানালে, তাদের বিল অবশ্যই সংশোধন করে দেওয়া হবে।