করোনাকালে দুশ্চিন্তায় মধ্যবিত্ত সমাজ

করোনাকালে মধ্যবিত্তরা দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন যাপন করছেন। তারা না পারেন সইতে না পারেন কইতে। একদিকে বাড়িভাড়া ও সন্তানের স্কুলের বেতনের চাপ, অন্যদিকে চলছে জীবিকার সংকট। জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে নাকানিচুবানি খেতে হচ্ছে মধ্যবিত্তদের। এ ব্যাপারে টেলিফোন ও ই-মেইলে প্রাপ্ত পাঠকের অভিমত প্রকাশিত হলো আজ

‘মধ্যবিত্ত’ নামে একটি শব্দ আছে। না ওপরে না নিচে। মাঝামাঝি তাদের অবস্থান। এই স্তরের মানুষই আজ বড় অসহায়। চরম দুর্দিনেও তারা মুখ খুলতে নারাজ। পাছে লোকে কিছু বলে! কী লজ্জার হবে সেটা! ধনীদের ধন আছে, গরিবের আছে সরকার। কিন্তু মধ্যবিত্তের কেউ নেই! আছে শুধু হাহাকার!

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

করোনা ভাইরাস এক বৈশ্বিক মহামারি। করোনা আজ ধনী-গরিব, মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্তনির্বিশেষে সবাইকে এক কাতারে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। করোনাকালে অন্যদের চেয়ে করুণ অবস্থা মধ্যবিত্তদের। এই মহাদূর্যোগময় করোনাকালে সমাজের একটা শ্রেণির মানুষের মধ্যে এক করুণ অবস্থা বিরাজ করছে। এই শ্রেণির মানুষগুলো যেন মরতেও পারছে না, আর না পারছে বাঁচতে। এই করোনাকালে দুমুঠো ত্রাণ পেয়ে নিম্নবিত্তের মুখে তৃপ্তির হাসি ফুটে ওঠে। আর উচ্চবিত্ত বা সামর্থবান হূদয়বানেরা ত্রাণ দিয়ে পরিতৃপ্তি পায়। আর কিছু না পেয়েও অন্তরের গভীর থেকে তৃপ্তির হাসি নিয়ে সংকটের মধ্যে জীবন চালনা করছে মধ্যবিত্ত মানুষগুলো!

অমিত বণিক , উত্তরা, ঢাকা।

মধ্যবিত্ত সমাজ অভাব-অনটনের বিষয়ে মুখ বুজে সহ্য করে, তবু কারো কাছে হাত পাততে পারে না। বিত্তবান কিংবা বিত্তহীনদের মতো যে কোনো কাজও করতে পারে না। সমাজ কী বলবে, এ নিয়ে তারা চিন্তিত থাকে।

সাদিয়া সুলতানা মাহি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ,

সাভার, ঢাকা

তাদের সবচেয়ে বড়ো একটা সমস্যা হচ্ছে তাদের ‘আত্মসম্মানবোধ’। সম্মান তাদের কাছে বড়ো। যেহেতু তারা কষ্টের কথা বলতে ইচ্ছুক নয়, নিজের বুকের মধ্যে রাখে নিজের কষ্ট লুকিয়ে, তাই তারা বঞ্চিত থাকে। সমাজ তাকে বঞ্চিত করে; রাষ্ট্র তার পাশে থাকে না। হয়তো রাষ্ট্র তাদের কষ্টকে অনুধাবনই করে না।

সাবরিনা সুলতানা

ন্যাশনাল কলেজ অব হোম ইকোনমিকস,

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

চক্ষুলজ্জার কারণে এ শ্রেণির মানুষ ত্রাণ চাইতে পারেন না, লাইনে দাঁড়াতেও পারেন না। সমাজের এই শ্রেণির নাগরিকরা মাসিক বেতনে বা মাসের আয়ে চলে, এদের অধিকাংশের মাস শেষে হাত খালি হয়ে যায়। সঞ্চয় অধিকাংশেরই থাকে না। একদিকে হাতে জমানো টাকা নেই, অন্যদিকে কারো কাছে হাত পাততেও লজ্জা লাগে! এমতাবস্থায় সরকারের কাছে আবেদন নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে নগদ অর্থ ও খাদ্যসাহায্য দেওয়া হোক। সরকার মধ্যবিত্তদের জন্য একটি হেলপলাইন বা হটলাইন খুলতে পারে। যাদের সহায়তা দরকার তারা আবেদন করবে। সেখান থেকে যাচাইবাছাই করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিতে পারে।

বিলকিছ আক্তার, হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর

করোনা ভাইরাস নিয়ে মানুষের মধ্যে ভয় ও শঙ্কা এখনো কাজ করছে। এ পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছে নিম্ন মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। তাদের অবস্থা এখন সংকটময়। অনেকের চাকরি চলে গেছে, অনেকের চাকরি থাকলেও কয়েক মাস ধরে বেতন পান না। অনেকের একদম কোনো কাজ নেই। তারা সীমাহীন কষ্টে আছে।

মো. জিল্লুর রহমান

সতিশ সরকার রোড, গ্লোরিয়া, ঢাকা

করোনাকাল মধ্যবিত্তদের কঠিন পরীক্ষার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। বাড়ি ভাড়া দিতে না পেরে অনেকেই শহর ছেড়ে গ্রামে চলে যাচ্ছে। কিন্তু বাড়িওয়ালারা বাড়ি ভাড়া মওকুফ করছে না বা অর্ধেক করছে না। মধ্যবিত্ত অনেকেরই ছোট্ট চাকরি, কম বেতন। এর মধ্যে তাদের পাশে যদি কেউ এগিয়ে না আসে, তবে তারা কী করবে, কোথায় যাবে? কর্মহীন হলে কাজের সুযোগ করে দিতে হবে। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এই মহামারি মোকাবিলা করতে হবে।

মোহাম্মদ অংকন, উত্তরা, ঢাকা।

করোনাকালে দুশ্চিন্তায় মধ্যবিত্ত। করোনা শুরু হওয়ার পর কেউ কি বলতে পারবেন যে কোন্ জিনিসের দাম কমেছে? যারা নির্ধারিত বেতনে চাকরি করে তারা অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে অসহায়। সরকারের উচিত এই সব অসাধু সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া। যারা গ্রাম থেকে শহরে  এসে পড়াশোনা করে তারাও চিন্তায় রয়েছে কিভাবে মেস ভাড়া দিবে?

ফাহাদ, যশোর সদর।

করোনা ধনী-গরিব সবার জন্য এলেও একটা সময়ে এসে দেখা যাচ্ছে করোনায় ভুক্তভোগী কেবল মধ্যবিত্তরাই। তাদের দেখার কি কেউ নেই?

ঋতা, কুমিল্লা।

মধ্যবিত্ত মানে বিলাসিতাহীন জীবন ও জীবিকার প্রতিনিয়ত টানাপোড়েনের মধ্যে আত্মত্যাগের চিরায়ত প্রতিচ্ছবি। । কর্মহীনতা বা স্বাভাবিক উপার্জন কমলেও থেমে নেই পরিবারের অনিবার্য ব্যয়, বাসা ভাড়া এবং বিভিন্ন পরিষেবার মূল্য পরিশোধের তাগাদা। করোনা পরিস্থিতির মেয়াদ বাড়তে থাকলে দীর্ঘ হবে মধ্যবিত্তদের কষ্ট, হতাশা ও বিড়ম্বনা। তাই তাদের কষ্ট লাঘবে সরকারের বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।

আবু ফারুক

ভাগ্যকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সদর, বান্দরবান।

আর্থিক স্বল্পতার এমন সময়ে পরিবারের খাদ্য, বস্ত্র, ওষুধপত্র ইত্যাদির পাশাপাশি বাসাভাড়া, বিদ্যুত্ ও পানির বিলের চাপে পরিবারের কর্তাদের নাভিশ্বাস চরমে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি স্বাভাবিক দুর্ভোগকে আরো উসকে দিয়েছে। সীমিত আয়ের মধ্যবিত্তদের অনেকের আয়ের পথ এখন সম্পূর্ণ বন্ধই। আগের যত্সামান্য সঞ্চয়ের ওপর তারা এখনো জীবনের অনিবার্য প্রয়োজনগুলো পূরণ করছেন। কিন্তু এভাবে আর কতদিন?

মোহাম্মদ ফয়সাল

১৪৬ ডি.টি. রোড, পূর্ব মাদারবাড়ি, চট্টগ্রাম।

অনেকের ইনকাম বন্ধ, কারো নামে মাত্র। কিন্তু খরচ বন্ধ নেই। বাসা ভাড়া, বিদ্যুত্ বিল, গ্যাস বিল, কিস্তি পরিশোধ, স্কুলের বেতনসহ নানা অসুখ-বিসুখ ও ঋণের বোঝা তো আছেই। পেটের দায়ে জীবিকার তাগিদে এদের অনেকে এখন রাস্তায় নামতে বাধ্য হচ্ছে। তবে ভিক্ষুক হিসেবে নয়, সাহায্যপ্রার্থী হয়ে। এদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসা আমাদের মানবিক দায়িত্ব।

উবাইদুল্লাহ তারানগরী

দুধনই, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ।

চলমান করোনা মহামারিতে সব দিক বিবেচনা করে সর্বাধিক কষ্টে দিনাতিপাত করছেন দেশের ২০ ভাগেরও বেশি মধ্যবিত্ত। অনেকের কাজ নেই। যাদের কাজ আছে তাদের আয়ও অনিয়মিত। আর যারা ছোটোখাটো চাকরি করছেন তারাও স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় সব জিনিসের দাম বাড়ার ফলে হিমশিম খাচ্ছেন।

এ এফ এম সালাহউদ্দীন

বান্দরবান সদর, বান্দরবান পাবর্ত্য জেলা।

ইদানিংকালে কোম্পানি বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যেভাবে চাকুরি ছাটাই প্রক্রিয়া কিংবা হাফ বেতনে চাকরি করার যে নিয়ম চালু করা হয়েছে সেটা কাঁটা ঘায়ে নুন ছিটানোর মতোই যন্ত্রণাদায়ক। মধ্যবিত্ত পরিবার সকল সময় দুশ্চিন্তায় থাকে। করোনা কালে তা দ্বিগুণ বেড়ে গেছে।

এমরান, ঢাকা

জিয়াউল হক সরকার, পূবাইল,গাজীপুর।

জীবিকার উত্স না থাকায় জীবন বাঁচানো এখন কঠিন হয়ে পড়ছে। আমি নিজেও সে পরিস্থিতির শিকার। দিশাহারা পাখির মতো কী করব না করব কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। মহামারি করোনাকালীন এই কঠিন দুঃসময়ে মধ্যবিত্ত ব্যক্তি ও ফ্যামিলিগুলো লজ্জায়, ক্ষুধায় সত্যিই আজ অসহায়।

মোহাম্মদ আবদুল্লাহ,

ভাটিয়া পূর্বপাড়া (মৌলভী বাড়ি),  নিয়ামতপুর, করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ।

করোনাকালে মধ্যবিত্ত শ্রেণি পড়েছে উভয়সংকটে। তাদের না আছে সঞ্চয় না আছে আয়ের উত্স। বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধু দেশই লকডাউনে নেই লকডাউনে আছে নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের আয় রোজগার। খাদ্যদ্রব্য, চিকিত্সা সেবা অর্জন সবকিছুই তাদের জন্য রীতিমতো আমাবস্যার চাঁদে পরিণত হচ্ছে। এদিকে বাসা ভাড়ার চাপে দিশেহারা একদল মধ্যবিত্ত। সন্তানকে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে পড়ানো অবিভাবকদের দুশ্চিন্তা পাহাড়সম।

মো. আল-আমিন ইসলাম

হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর।

কাজ না থাকায় বাসা ভাড়া দিতে না পারায় ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছেন অনেকেই। অনেক ভাড়াটে ছোটোখাটো ব্যবসা করতেন, তারা অনেকেই বাসা ভাড়া দিতে পারছেন না। লকডাউনে তাদের ব্যবসা বন্ধ। কোনো আয় হচ্ছে না।

সুগন্ধী আক্তার, মতিঝিল, ঢাকা।

ভাড়া দিতে না পারায় অনেককে হেনস্থা হতে হচ্ছে। অনেকে ভাড়া না দিতে পেরে শহর ছাড়ছে। কেউ কেউ ঘরের আসবাব ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র বিক্রি করে ভাড়া পরিশোধ করেছেন। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

অ্যাডভোকেট এস কে মো. রমিজউদ্দিন,

শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা।

খুব কষ্টের মধ্যে জীবন যাপন করছেন তারা। সরকারের পাশাপাশি এনজিওগুলোকে এ ব্যাপারে এগিয়ে আসতে হবে ।

অ্যাডভোকেট রবিউল হোসেন রবি

পুরানা পল্টন, ঢাকা।

মধ্যবিত্তরা আজ চরম সংকটে রয়েছে। তাই অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।

শিশির, পিলখানা, ঢাকা।

বর্তমানে করোনাকালে তাদের আয় নেই। কিন্তু ব্যয়ের বোঝা তো আর কমছে না। করোনার আতঙ্কে ও মানসিক চাপে সত্যি মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকদের যে করুণ অবস্থা তা অল্প কথায় বলে শেষ হবে না।

আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী (হিফজু),

 বি.বাড়িয়া সদর, বি.বাড়িয়া।

চার মাস যাবত্ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। অনলাইনে শিক্ষা প্রদানের কার্যক্রম চলছে। ছাত্র-ছাত্রীদের এটা তেমন আকৃষ্ট করতে পারছে না। একদিকে স্কুলের বেতন, অন্যদিকে অনলাইনের খরচ। এপ্রিল  থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত বাড়ি ভাড়া মওকুফসহ বিদ্যুত্ বিল, পানির বিল, গ্যাস বিল এবং এনজিও কিস্তিসহ সবকিছু মওকুফ করা হোক।

ডা. মোহাম্মদ জামিল রহমান

গোপালপুর, টাঙ্গাইল।

একদিকে মধ্যবিত্তরা করোনায় আক্রান্ত, অন্যদিকে তারা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। কৃষি নির্ভরশীল মধ্যবিত্তরা তাদের কৃষিপণ্য কিনতে গিয়ে ব্যাপক কষ্টে খরচ করছেন। কৃষিপণ্য উত্পাদন করে বাজারে বিক্রি করতে গিয়ে ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। ফলে লোকসান গুনতে হচ্ছে মধ্যবিত্তদের।

ফারুক আহম্মেদ, বাগমারা, রাজশাহী

হাতে নেই কাজ, পকেটে নেই টাকা। বাড়ি ভাড়ারও টাকা নেই। রয়েছে করোনা আক্রান্ত হওয়ার ভয়। এ অবস্থায় নিম্নআয়ের অনেক মানুষ ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি চলে যাচ্ছে। অন্যদিকে ভাড়াটে চলে যাওয়ায় ঢাকার বাড়িওয়ালারা পড়েছেন মহাসংকটে।

সুলতানা জামান, মানিকনগর, ঢাকা।

অনেকেই চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন গ্রামের বাড়িতে। যেহেতু তাদের হাতে কোন কাজ নেই, তাই ব্যয়বহুল এই শহরে থাকার বিলাসিতার কোন মানে হয় না।

মো. ইফতেখার হোসাইন লিটন

হাইমচর, চরভৈরবী

খুব বেশি ভালো নেই মানুষ। যাদের মাসে আয় ছিল ২৫/৩০ হাজার টাকা তারা এ আজ এ শহরে টিকতে পারছেন না। অনেকেই বলছেন এটি করোনার প্রাথমিক ধাক্কা। তাহলে পরবর্তীতে কী হবে বা হতে পারে?

বজলুল করিম , রিক , ধানমন্ডি, ঢাকা

ভাড়াটিয়াদের এপ্রিল, মে, জুন এই তিন মাসের বাড়িভাড়া মওকুফ করা এবং তাদের গ্যাস, বিদ্যুত্, পানির বিল ও হোল্ডিং মওকুফ করার দাবি জানিয়েছে ভাড়াটিয়া পরিষদ। তাই আমরা আশা করি এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহিদউল্লাহ

স্টুডিও ফুজিয়া , মিরপুর- ১, ঢাকা

মূলত পুঁজিবাদীর অর্থনীতির প্রভাবেই বাংলাদেশসহ সমস্ত মধ্যবিত্ত আজ চরম দুর্দিনে। এই সিস্টেমটাকে বয়কট করতে হবে।

সাইফুল ইসলাম তানভীর

বারিধারা গুলশান, ঢাকা