কদমতলী ও বাড্ডায় কলেজছাত্রী ও যুবকের আত্মহত্যা

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় এক কলেজছাত্রী এবং এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। কদমতলীতে জাইন সুলতানা (২০) নামের এক কলেজছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মৃত জাইন ঢাকার মহানগর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। এছাড়া বাড্ডায় জহিরুল ইসলাম (২৭) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন।

মৃত জাইনের ফুফু মুর্শিদা আক্তার জানান, সকালে তার বাবা-মা অফিসে চলে যায়। তার ছোট ভাই ও জাইন রুমেই ছিল। ছোট ভাই ঘুম থেকে উঠে দেখে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় বোন ঝুলছে। সে বাবা-মাকে ফোনে খবর দিলে তারা এসে জাইনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিত্সক মৃত ঘোষণা করেন। কি কারণে কেন আত্মহত্যা করেছে বলতে পারেনি স্বজনরা। জাইন সুলতানা মাতুয়াইল এলাকার আব্দুল ওহাব ওরফে হালিমের মেয়ে। এক ভাই এক বোনের মধ্যে সে ছিল বড়। তাদের গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায়।

মৃত জহিরুল ইসলামের ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম জানান, জহিরুল একটি কোম্পানিতে সিনিয়র মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ হিসেবে চাকরি করতেন। তার বাবার নাম আলতাফ হোসেন। বাড়ি বরিশাল। পরিবারের সঙ্গে বাড্ডা সাতারকুল রোডের একটি বাড়ির পঞ্চম তলায় ভাড়া থাকতেন। তিনি আরো জানান, গতকাল সকালে বাথরুমে জহিরুলের প্যান্ট পড়ে থাকতে দেখেন এবং পাশে ঘুমের ট্যাবলেটের খালি খোসা দেখতে পান। পরে সন্দেহ হলে জহিরুলের রুমে গিয়ে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান । বিভিন্ন কারণে মানসিক দুশ্চিন্তায় ছিলেন তিনি। বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আ. রহমান জানান, ময়নাতদন্তের পর তার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।