করোনার উপসর্গে ব্যাংক কর্মকর্তাসহ আরো ১৭ জনের মৃত্যু

মহামারি করোনা ভাইরাসের উপসর্গ জ্বর, গলাব্যথা, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টে বাংক কর্মকর্তাসহ আরো ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনার পরীক্ষার জন্য মৃতদের  নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এদের দাফন করা হয়েছে। গতকাল ইত্তেফাকের ব্যুরো, জেলা প্রতিনিধি ও উপজেলা সংবাদদাতাদের পাঠানো খবরের আলোকে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজে (শেবাচিম) হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে গত দুই দিনে আরো চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এরা হলেন—বাবুগঞ্জের ইছলাদী এলাকার আবুল কামাল আজাদ (৫০), পটুয়াখালী সদর টাউন কালিকাপুরের সালেহা বেগম (৫৫), পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার গাজীপুরের জিতেন্দ্রনাথ বিশ্বাস (৭০) এবং       বিমল (৬০) নামে এক বৃদ্ধ। হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন এ তথ্য জানান। এ নিয়ে গত ২৯ মার্চ থেকে শেবাচিম হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ জনের করোনা পজিটিভ।

রাজশাহীর রামেক হাসপাতালে বৃহস্পতিবার তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এরা হলেন—রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) প্রিন্সিপাল অফিসার ও নগরীর মহিষবাথানের এখলাসুর রহমান (৪০), নগরীর বোয়ালিয়ার রামচন্দ্রপুরের আশরাফ আলীর স্ত্রী শামীমা বেগম (৪৮) ও তেরখাদিয়ার মেরাজুল ইসলাম (৪০)। হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস এ তথ্য জানান।

কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। কুমেক হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. মুক্তা রানী ভুঁইয়া এ তথ্য জানান। এ ছাড়া নাঙ্গলকোটে গতকাল জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে পোস্ট মাস্টার আবদুল করিম মজুমদারের (৫০) মৃত্যু হয়েছে।

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে গতকাল অংসুইউ মারমা (৫৫) নামে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) এক টেকনিশিয়ানের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ঐ উপজেলার ৩ নম্বর চিত্মরম ইউনিয়নের বামনি বটতলীপাড়ার বাসিন্দা। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সদর ইউনিয়নের রুপসপুর এলাকায় ৬০ বছরের এক ব্যক্তি মারা গেছেন। ঝিনাইদহে শৈলকূপা উপজেলার কাচেরকোল গ্রামের এক ব্যক্তি বৃহস্পতিবার রাতে নিজ বাড়িতে মারা যান। সম্প্রতি তিনি ঢাকা থেকে গ্রামে এসেছিলেন।