যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে রেকর্ড সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। এক দিনের সংক্রমণে দেশটি শীর্ষ স্থান দখল করেছে। দেশটিতে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। লকডাউন দ্রুত শিথিল করায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন। করোনা ভাইরাস বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে ঝুঁকির তালিকায় রেখেছে মিত্র দেশ ব্রিটেন। খবর ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ান ও বিবিসির
রেকর্ড সংক্রমণ যুক্তরাষ্ট্রে
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা ছিল ৫৫ হাজার ২৭৪ জন। এর আগে ১৯ জুন ব্রাজিল ২৪ ঘন্টায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের রেকর্ড গড়েছিল। ঐ সংখ্যাটি ছিল ৫৪ হাজার ৭৭১ জন। বৃহস্পতিবার ফ্লোরিডায়ই প্রায় ১০ হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। দেশটির মোট সংক্রমণের অর্ধেকই ফ্লোরিডা, টেক্সাস, অ্যারিজোনা, ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউ ইয়র্কে। সিএনএন জানায়, অন্তত ৩৬ টি রাজ্যে সংক্রমণ বেড়েছে। হোয়াইট হাউজের করোনা টাস্কফোর্সের শীর্ষ বিশেষজ্ঞ অ্যান্থনি ফাউচি বলেছেন, খুবই বাজে একটা সপ্তাহ পার করছে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, মার্কিনীরা যদি স্বাস্থ্য বিধি মেনে না চলেন তাহলে খুবই বড়ো ধরনের সংকটে পড়বো। জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সিটি জানায়, দেশটিতে মোট আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ২৭ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি এবং করোনায় প্রাণ হারিয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ১১৪ জন। বিশ্ব জুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৯ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি এবং মারা গেছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ৪৫ জন।
ব্রিটেনের ঝুঁকির তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র
ব্রিটেন সরকারের প্রকাশিত এক তালিকায় দেখা গেছে, দেশটিতে ভ্রমণে গেলে ৫৯ টি দেশের নাগরিকরা কোয়ারেন্টাইনের বিধি-নিষেধের আওতামুক্ত থাকবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সুইডেন এবং পর্তুগালসহ অন্য দেশের নাগরিকদের যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।
ভারতেও রেকর্ড আক্রান্ত অব্যাহত
মারণ রোগ করোনার দাপট কমার লক্ষণ তো নেই-ই, বরং দিনে দিনে তা রেকর্ড গড়ছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্¿ণালয় জানিয়েছে, ২৪ ঘন্টায় ২০ হাজার ৯০৩ জনের শরীরে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এর ফলে মোট সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৪ জনে। প্রাণ গেছে ১৮ হাজার ২১৩ জনের।