গঙ্গাচড়ায় কৃষকের ঘরে বাড়তি ধান

কুশি ধানে কৃষক খুশি

গঙ্গাচড়া (রংপুর) সংবাদদাতা

গঙ্গাচড়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটিয়েছে কুশি ধান। ঘরে এসেছে বাড়তি ধান। উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়নের একটি গ্রামের নাম ডাংগি পাইকান। ঐ গ্রামের কৃষক মোশাররফ হোসেন। তিনি পাঁচ বিঘা জমিতে এ বছর কুশি ধান আবাদ করেছেন। কৃষক মোশাররফ জানান, বোরো ধান কাটা শেষ হয়েছে বৈশাখ মাসের ২য়/৩য় সপ্তাহে। ধান কাটার পর ফাঁকা পড়ে রয়েছে মাঠ। সেই কাটা ধান গাছ থেকে ধীরে ধীরে কুশি বের হতে থাকে। কুশি থেকে আবার ধানের শীষ বের হয়। দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে ধান কেটে ঘরে তোলা যায়। কুশি ধান আবাদ করতে তেমন বাড়তি খরচের প্রয়োজন নেই। বোরো ধান কাটার পর কুশি বের হওয়ার পর সামান্য ইউরিয়া প্রয়োগ করতে হয়। আর ধান বের হলে দুই একবার কীটনাশক স্প্র্রে করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এ বছর ধানের চাহিদাও বেশি।

কৃষক মোশাররফ  বলেন, বোরো মৌসুমে ঐ সব জমিতে তিনি হাইব্রিড ধান চাষ করেছেন। কুশি ধান আবাদ করতে বাড়তি খরচের প্রয়োজন হয় না। পাঁচ বিঘা জমিতে কুশি ধান আবাদ করতে তার মোট খরচ হয়েছে ১০ হাজার টাকা। ইতিমধ্যে তিনি কিছু জমির ধান কেটেছেন। ফলন বিঘা প্রতি চার/পাঁচ মণ ধান হয়। তিনি জানান,  ধান থেকে বাড়তি আয় হবে ২০ হাজার টাকা। তাছাড়া উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নের শেরপুর, পুটিমারী, সাতআনি এলাকায় কয়েক শ একর জমি বোরো ধান উঠার পর অনাবাদি অনেকদিন। এই সুযোগে সেখানে ব্যাপক আকারে কুশি ধান আবাদ করা যেতে পারে। আমন ধান চাষের আগেই কুশি ধান ঘরে তোলা সম্ভব।

 উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শরিফুল ইসলাম বলেন, নিঃসন্দেহে এটা ভালো দিক। এতে কৃষকের বাড়তি আয় হবে। সেই সঙ্গে দেশের খাদ্য উত্পাদন বাড়বে।