সাধারণ ছুটি শেষ হবার পর থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট, সৈয়দপুর (নীলফামারী) এবং যশোর রুটের ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি দিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। তবে, ফ্লাইট চালানোর অনুমতি পায়নি পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজার বিমানবন্দর। সকল অনুষঙ্গ থাকার পরও শুধু চিকিত্সক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে না পারায় চালু করা যাচ্ছে না কক্সবাজার বিমানবন্দর। অথচ পর্যটন ও রোহিঙ্গা উপস্থিতির কারণে দেশের আভ্যন্তরীণ অন্য আকাশপথের চেয়ে কক্সবাজার আকাশপথ লাভজনক। এতে কোটি কোটি টাকা ক্ষতির মুখে পড়ছে ব্যবসায়ী ও এয়ারলাইন্সগুলো। জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, শুধু চিকিত্সকের জন্য বিমান চলাচল বন্ধ তা জানা ছিল না। কীভাবে তা ম্যানেজ করা যায় তা খতিয়ে দেখছি।
বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, ফ্লাইট চলাচলে আন্তর্জাতিক সিভিল অ্যাভিয়েশন (আইকা) যেসব পূর্বশর্ত দিয়েছে সেগুলো পূরণ করতে না পারায় কক্সবাজার বিমানবন্দরকে বিমান উঠা নামায় এখনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। আইকার নির্দেশনা অনুযায়ী ফ্লাইট চলাচল করতে হলে বিমানবন্দরে পর্যাপ্ত চিকিত্সা ব্যবস্থা ও চিকিত্সক থাকতে হবে।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের ম্যানেজার আবদুল্লাহ আল ফারুক বলেন, কক্সবাজারের সিভিল সার্জন রোস্টারের মাধ্যমে পাঁচ জন চিকিত্সককে বিমানবন্দরে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। কাগজে-কলমে বিমানবন্দরে এখনো পাঁচ জন চিকিত্সক রয়েছেন। তবে বর্তমানে চিকিত্সক সংখ্যা শূন্য। কক্সবাজরের সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন কোভিড হাসপাতালে প্রচুরসংখ্যক ডাক্তার যোগান দিতে হচ্ছে। তাই সংকটের কারণে বর্তমানে বিমানবন্দরে চিকিত্সক দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে, চেষ্টা করছি আমরা।