কুয়েতের দুই জন এমপির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে মানব পাচারে সহযোগিতা ও? অর্থপাচারে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে আগেই। এবার এমপি হিসেবে তারা যে দায়মুক্তির সুযোগ পান তা বাতিল করা হচ্ছে। কুয়েত টাইমসের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, কুয়েতের জাতীয় পরিষদের লিগ্যাল অ্যান্ড লেজিসলেটিভ কমিটি দুই এমপির দায়মুক্তির সুযোগ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওই দুই এমপি এই সুবিধা তুলে নিতে বলেছেন; যাতে সরকারি কৌঁসুলিরা তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। তাদের দাবি, তারা কোনো অনৈতিক কাজ করেননি। জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়ে নিজেদেরকে এই অভিযোগ থেকে মুক্ত করতে চান। দুই কুয়েতি এমপির নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
প্রসঙ্গত, গত ৬ জুন মানব পাচার ও অর্থ পাচারের অভিযোগে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পাপুলকে গ্রেফতার করে কুয়েতের সিআইডির সদস্যরা। আটক করা হয়েছে তার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও তার ঘনিষ্ঠ মূর্তজা মামুনকে। পাপুলের বিরুদ্ধে জালিয়াতি করে কর্মী নিয়োগ, রেসিডেন্সি আইনের লঙ্ঘন ও ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে ৬ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠনের কথা রয়েছে। অপরাধ প্রমাণিত হলে তার পাঁচ থেকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে বলে কুয়েতের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।
এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে কুয়েতের ইতিহাসে বৃহত্তম মানব পাচারের ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এই অভিযোগে কুয়েতের প্রভাবশালী কর্মকর্তা ও নেতাদের নাম প্রকাশ পেতে শুরু করেছে।