ফিফার সব খেলা এক ভেন্যুতে
সোহেল সারোয়ার চঞ্চল
কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল এবং এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাইয়ে বাংলাদেশের যেসব খেলা বাকি রয়েছে তার সবকয়টি খেলা একটি ভেন্যুতে আয়োজন করতে চায় বাফুফে। গ্রুপ পর্বে ম্যাচ বাকি আছে চারটি। একটি কাতারের বিপক্ষে দোহায়। বাংলাদেশের বাকি তিনটি হোম ম্যাচ।
আগামী ৮ অক্টোবর হোম ম্যাচে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান, ১৩ অক্টোবর দোহায় কাতারের বিপক্ষে, ১২ নভেম্বর ভারত এবং ১৭ নভেম্বর ওমানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচ। বাফুফে এক স্টেডিয়ামে খেলাগুলো আয়োজন করতে চাইছে। বাফুফের ন্যাশনাল টিমস কমিটির এমনই চিন্তাভাবনা।
কারণ করোনা ভারাইসের সংক্রমণের ঝুঁকির আশঙ্কা থাকায় এক ভেন্যুতে সব ম্যাচ আয়োজনের চিন্তাই চলছে। এক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত বাফুফের প্রথম পছন্দ সিলেট স্টেডিয়াম। সিলেটে বাংলাদেশ আফগানিস্তান ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা আগেই করা হয়েছিল। কিন্তু ফিফার অনুমোদন পাওয়ার আগেই করোনার মহামারিতে সেটি ভেস্তে যায়। ফিফার খেলা আয়োজন করতে হলে স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে দর্শক বসার জন্য চেয়ার থাকতে হবে। বাংলাদেশ আফগানিস্তান ম্যাচটি হবে ধরে নিয়ে ফিফা আগেই জানিয়েছিল চেয়ার স্থাপন করার কথা। তখনই সিলেটে চেয়ার স্থাপনের কাজ শুরু হয়।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে সাধারণ চেয়ার নেই। যদি দর্শক স্টেডিয়ামে ঢুকে খেলার দেখার অনুমতি পায় তাহলেও সিলেটে স্টেডিয়ামকে প্রথম পছন্দ ধরে নিয়েছে বাফুফে। কারণ এই সময় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে চেয়ার বসানো যাবেও না। প্রশ্ন উঠছে দর্শক গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার অনুমতি পাবে কিনা। ফিফা যদি অনুমতি না দেয়া তাহলে এক চিন্তা, আর অনুমতি না দেয়া হলে ভিন্ন চিন্তা। সিলেট না ঢাকা—বাফুফে বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিলেও সিলেট এগিয়ে আছে।
সিলেট স্টেডিয়াম প্রস্তুত, বলছে বাফুফে। যদি তাই হয় তাহলে ফিফার যে কয়টি ম্যাচ বাকি রয়েছে সবকয়টি এক ভেন্যুতে হবে এবং সেটি সিলেটেই হতে পারে। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ জানিয়েছেন ন্যাশনাল টিমস কমিটি এক ভেন্যুতে খেলা আয়োজন করার পক্ষে।
তিনি বলেন, ‘আমরা ফিফার গাইড লাইনের অপেক্ষা করছি। ফিফা কী নির্দেশনা দিচ্ছে দেখতে হবে। বলতে পারছি এখনই না।’ বাফুফের কথা হচ্ছে ফিফা যদি দর্শক প্রবেশের অনুমতি না দেয় তাহলে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম খোলা রইল। দর্শক ঢোকার অনুমতি থাকলে সিলেটেই হবে ম্যাচ। সিলেটের এগিয়ে থাকার কারণ সেখানে দর্শকদের আগ্রহ বেশি।