দেশের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন সঙ্কটে আন্দোলনে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করে আসছে ছাত্রলীগ। এর মধ্যে নানা আন্দোলন সংগ্রামে ঝরে গেছে অনেক নেতাকর্মীর প্রাণ।
তত্কালীন তরুণ নেতা শেখ মুজিবের নেতৃত্বগুণে একঝাঁক মেধাবী তরুণের উদ্যোগে যাত্রা শুরু হয়েছিল ছাত্রলীগের। ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল ‘পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ’। পাকিস্তান আমলে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেয়া হয়। স্বাধীনতার পরপরই এর নাম হয় ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ’।
প্রতিষ্ঠবার্ষিকী উপলক্ষে চার দিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ছাত্রলীগ। গত বুধবার রাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। কর্মসূচির মধ্যে আজ সকাল সাড়ে ৬টায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সব সাংগঠনিক কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল ৭টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হবে। সকাল ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল প্রাঙ্গণে কেক কাটা এবং বাদ জুমা মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল শনিবার সকাল ১০টায় ঢাকার অন্তর্গত সব ইউনিটের সমন্বয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করা হবে। দেশব্যাপী অন্য সব ইউনিটকে সুবিধাজনক সময়ে শোভাযাত্রা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অপরাজেয় বাংলা’ সংলগ্ন বটতলায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি পালিত হবে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হবে। ওইদিন বিকাল ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ চত্বরে দুস্থদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।