মহামারি করোনার কারণে সম্ভাব্য খাদ্যসংকট মোকাবিলায় আউশ ও আমনের উত্পাদন বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, বোরোতে এবার বাম্পার ফলন হয়েছে। উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। আশা করছি, আউশ ও আমনের উত্পাদনও ভালো হবে। ইতিমধ্যে কৃষকদের মধ্যে আউশ ও আমনের ধান বীজ বিতরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
গতকাল রবিবার কৃষিমন্ত্রী রাজধানীতে তার সরকারি বাসভবন থেকে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) কর্তৃক কোভিড-১৯-এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে সহায়তা কার্যক্রম অনলাইনে উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন।
ড. রাজ্জাক বলেন, করোনার কারণে সম্ভাব্য খাদ্যসংকট মোকাবিলা করতে হলে উত্পাদন আরো অনেক বাড়াতে হবে। দেশে যাতে খাদ্যের কোনো ঘাটতি না হয়, আমদানি করতে না হয়। সেজন্য সরকার সর্বাত্মক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সরকার কৃষি খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ভর্তুকিসহ নানা প্রণোদনা দিচ্ছে। কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র সব সময়ই সহযোগিতা করে আসছে। অ্যামচ্যামের এই কর্মসূচি এ সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করবে। সিরাজগঞ্জ বন্যাকবলিত এলাকার কৃষকরা এ কর্মসূচির মাধ্যমে উপকৃত হবে।
উল্লেখ্য, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) ‘কৃষকদের জন্য সহায়তা’ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। যাতে কৃষকরা নিজ নিজ পরিবারের তাত্ক্ষণিক অর্থনৈতিক চাহিদাগুলো পূরণ করতে পারেন। কর্মসূচির আওতায় সিরাজগঞ্জের মোট ১ হাজার কৃষক ও তাদের পরিবারবর্গকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
অ্যামচ্যামের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ এরশাদ আহমেদের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহমেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অ্যামচ্যামের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল।