চাকরি পাওয়ার জন্য কী না করেন বেকাররা। কিন্তু পুজো করেই যে হাতেনাতে ফল পাওয়া যায়, তার প্রমাণ নাকি পেয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ার পশ্চিম রতনপুর গ্রামের কয়েকজন যুবক।
তবে যে সে দেবতা নয়, চাকরি পাওয়ার জন্য পুজো করতে হবে নারদকে। সুফল পেয়ে তাই টানা পাঁচ বছর ধরে ধুমধাম করে গ্রামে চলছে পুজোর আয়োজন। খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুজোয় সামিল হয়েছেন আশেপাশের গ্রামের বেকার যুবক-যুবতী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও।
বাঁকুড়া শহরের কাছে পশ্চিম রতনপুর গ্রামে পাঁচ বছর আগে কয়েকজন বেকার যুবক নারদ পুজো শুরু করেছিলেন। উদ্যোক্তাদের দাবি, পুজো করার পরই দু’-এক বছরের মধ্যে তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন চাকরি পেয়ে যান। এর ফলে নারদ দেবতার উপরে তাঁদের বিশ্বাস বেড়ে যায়। বহরে এবং জাঁকজমকে বাড়ে পুজো।
নারদের আরাধনা করে চাকরি মিলছে, এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভক্তের সংখ্যা বাড়তে সময় লাগেনি। শুধু পশ্চিম রতনপুর নয়, আশেপাশের গ্রামের প্রায় কুড়ি-পঁচিশটি গ্রামের বেকার যুবক-যুবতী এবং তাঁদের অভিভাবকরা বর্তমানে এই পুজোয় সামিল হন। তাঁদের বিশ্বাস, মহর্ষি নারদ দেবলোকে পৌঁছে বিভিন্ন দেবতার কাছে বেকারত্বের জ্বালা তুলে ধরেন। এর ফলে সেই দেবতারা সন্তুষ্ট হয়ে বেকারদের চাকরির ব্যবস্থা করবে।
আরও পড়ুনঃ পুলিশের গাড়িতে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ার সেল
এই বিশ্বাসের উপরে ভর করে নারদ দেবতার আরাধনায় মেতে ওঠেন সকলে। কার্তিক মাসের বিশেষ দিনে এই পুজো হয়। এই বছর মঙ্গলবার রাত থেকে এই পুজো শুরু হয়েছে। বেশ কয়েক দিন এই পুজো চলবে। সঙ্গে চলে অনুষ্ঠান এবং মেলা। পুজোর পরেই নতুন চাকরির খবর আসবে, আপাতত এই আশাতেই মন দিয়ে পুজোয় ব্যস্ত নারদ ভক্তরা।
ইত্তেফাক/টিএস