নিজেদের রিট নিজেরাই প্রত্যাহার করেছে গ্রামীণফোন

বিটিআরসির আরোপিত নতুন বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন রিট আবেদন দায়ের করলেও তা না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানির আইনজীবী বিষয়টি গতকাল সোমবার আদালতকে অবহিত করলে রিট আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন একক ভার্চুয়াল বেঞ্চ গতকাল এ আদেশ দেন।

গ্রামীণফোনের পক্ষে মোস্তাফিজুর রহমান খান, বিটিআরসির পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও খন্দকার রেজা-ই-রাকিব উপস্থিত ছিলেন। খন্দকার রেজা-ই-রাকিব বলেন, মামলাটি আদালতে উঠেছিল। পরবর্তীতে গ্রামীণফোনের আইনজীবী মামলাটি প্রত্যাহার বা ননপ্রসিকিউশন করার জন্য সাবমিশন করেন। পরে আদালত এটিকে আউট অব লিস্ট করেছেন।

খুচরা মোবাইল সেবা সংশ্লিষ্ট বাজারে তাত্পর্যপূর্ণ বাজার ক্ষমতাসম্পন্ন মোবাইল অপারেটরদের জন্য নির্দেশনা দিয়ে গ্রামীণফোনসহ গত ২১ জুন সব মোবাইল ফোন অপারেটরকে চিঠি পাঠায় বিটিআরসি। ঐ নির্দেশনায় বলা হয়, গ্রামীণফোনের ক্ষেত্রে এক অপারেটরে অন্য অপারেটরের সেবা লকিং পিরিয়ড ৯০ দিনের পরিবর্তে ৬০ দিন হবে, যা পহেলা জুলাই থেকে প্রযোজ্য হবে। চিঠিতে বলা হয়, এসএমপি (সিগনিফিকেন্ট মার্কেট পাওয়ার) অপারেটর হিসেবে গ্রামীণফোন বিটিআরসির অনুমোদন ব্যতীত কোনো প্রকার সার্ভিস/ প্যাকেজ/অফার প্রদান করতে পারবে না। এমনকি সার্ভিস/প্যাকেজ/অফারের পরিবর্তন/ পরিবর্ধন/পরিমার্জনের ক্ষেত্রে বিটিআরসির অনুমোদন নিতে হবে। বিটিআরসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করে গ্রামীণ ফোন।