পীরগাছায় চাঞ্চল্যকর পুলিশ পরিদর্শকের স্ত্রী আকলিমা বেগম (৩০) হত্যা মামলার প্রধান আসামি শহিদুল ইসলাম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সোমবার শহিদুল আদালতে গুপ্তধনের লোভে বোনকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেন। এর আগে রবিবার গভীর রাতে উপজেলার ইটাকুমারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। শহিদুল ইসলাম আকলিমা বেগমের আপন ছোট ভাই ও উপজেলার তালুক ঈসাদ ডারারপাড় গ্রামের নুরুল ইসলাম ডলারের ছেলে।
পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতারের পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এ সময় গুপ্তধন ও স্বর্ণালংকার পাওয়ার লোভে বোনকে পুকুরে নামিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করার কথা স্বীকার করেন শহিদুল। আকলিমা বেগম স্বপ্নের মাধ্যমে জিনের টাকা ও স্বর্ণালংকার পাওয়ার কথা ছোট ভাই শহিদুলকে জানিয়েছিল। এর পরই ঐ টাকা ও স্বর্ণালংকার পাওয়ার লোভে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার উপজেলার তালুক ঈসাদ ডারারপাড় গ্রামে বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে আকলিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আকলিমা বেগম ঐ গ্রামের ফজল মাহমুদের স্ত্রী। ফজল মাহমুদ পুলিশের উপ-পরিদর্শক হিসেবে তুরাগ থানায় কর্মরত। পরে ঐ দিন রাতেই শহিদুল ইসলামসহ অজ্ঞাত পাঁচ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়।