বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা বন্যার পানির প্রবল চাপে এলজিইডির রাস্তা ভেঙে মির্জাপুর এবং বাসাইল উপজেলার সঙ্গে গত পাঁচ দিন ধরে সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ফলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে দুই উপজেলাবাসীকে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।
মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. বাদশা মিয়া জানান, মির্জাপুরের সঙ্গে বাসাইলের যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা কদিমধল্যা-ছাওয়ালী-বাসাইল রাস্তা। এই রাস্তা দিয়ে কদিমধল্যা, বানিয়ারা, ডোকলাহাটি, মহেড়া, ছাওয়ালী, বলটিয়া, দেওভোগ, ভাতকুড়া, হাবলা, হিলড়া, কাঞ্চনপুর, নাটিয়াপাড়াসহ ৬০-৭০ গ্রামের লোকজন মির্জাপুর এবং বাসাইল উপজেলায় যাতায়াত করে। অতিবৃষ্টিতে বংশাই নদীতে বন্যার পানি বেড়ে ও পানির প্রবল চাপে গত ৩ জুলাই এই গুরুত্বপূর্ণ আদাবাড়ী নজরুল প্রফেসরের বাড়ির পাশে রাস্তাটি ৭০-৮০ ফুট ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ফলে নাটিয়াপাড়া ও করটিয়া দিয়ে ২৫-৩০ মাইল ঘুরে দুই উপজেলাবাসীকে যোগাযোগ করতে হচ্ছে। রাস্তার ওপর একটি বেইলি ব্রিজ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় এমপিকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ার খবর পেয়ে একজন সহকারী প্রকৌশলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অবহিত করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঐ রাস্তার ওপর একটি বেইলি সেতুসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।