করোনা ভাইরাসের কারণে দেশের আমদানি-রপ্তানি স্থগিত হওয়ায় পণ্য পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। অপরদিকে দেশে চাহিদার চেয়ে বেশি গাড়ি হওয়ায় অধিকাংশ গাড়ির মালিক দেউলিয়া হয়ে গেছে। গতকাল মঙ্গলবার তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সভায় নেতৃবৃন্দ এ হতাশার কথা ব্যক্ত করেন। সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রুস্তম আলী খান বলেন, পণ্য পরিবহন ব্যবসা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। দেশের বিভিন্ন আমদানিকারক কোম্পানিগুলো কোনো সমীক্ষা ছাড়াই গাড়ি আমদানি করে পুশিং সেলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য দেখিয়ে গাড়ি বিক্রয় করে। ফলে পণ্য পরিবহন শিল্পকে চাহিদার তুলনায় দুই গুণ বেশি গাড়ি দিয়ে এই সেক্টরকে ডাম্পিং ডিপো হিসেবে পরিণত করেছে। তিনি বলেন, যে সকল গাড়ি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, পচনশীল দ্রব্য নিয়ে রাস্তায় চলাচল করছে তা দিয়ে মালিকদের আয় তো দূরের কথা গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ খরচ উঠছে না। সে কারণে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা অনেক মালিকের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
নেতৃবৃন্দ বলেন, গাড়ি আটক না করে কিস্তিতে মূল্য পরিশোধের চুক্তিতে কেনা গাড়ির সুদ বাতিল ও কিস্তি পরিশোধের সময় পুনঃনির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। সমিতির সভাপতি হাজি মো. তোফাজ্জল হোসেন মজুমদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, কার্যকরী সভাপতি এস এম বখতিয়ার, সহসভাপতি আমির হোসেন নান্নু, খবির উদ্দিন আহম্মেদ, যুগ্ম সম্পাদক ফারুক হোসেন হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম খান ভুট্টু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর খান প্রমুখ।