ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে নতুন করে ইসরাইলি দখলদারিত্ব সম্প্রসারণ পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করেছে ফ্রান্স ও জার্মানিসহ চার দেশ। দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেছেন, এই পরিকল্পনা থেকে সরে না এলে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইসরাইলকে এর ফল ভোগ করতে হবে। বুধবার এক প্রতিবেদেনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
আগামী ১ জুলাই থেকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে ইসরাইল। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ফিলিস্তিনের জর্ডান ভ্যালিও দখলের চক্রান্তে মেতেছে দেশটি। ইসরাইল ঘেঁষা হিসেবে পরিচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথিত মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনায় এসব ভূখণ্ডে ইসরাইলি দখলদারিত্বের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ১ জুলাই থেকে নতুন দখলদারিত্বের কোনো ঘোষণা এখন পর্যন্ত আসেনি। তবে দেশটির কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন ইসরাইলের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর প্রধানরা। মঙ্গলবার এক ভিডিও কনফারেন্সের পর দেওয়া বিবৃতিতে এ পরিকল্পনার নিন্দা জানান ফ্রান্স, জার্মানি, মিশর ও জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।
বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৬৭ সালে অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলগুলোতে নতুন করে যে কোনো দখলদারিত্ব আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। এটি শান্তিপ্রক্রিয়ার ভিত্তি নষ্ট করে দেবে। চার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৮৭ সালের সীমানার কোনো পরিবর্তন মেনে নেওয়া হবে না। দুই দেশের সমঝোতা ব্যতিরেকে এ ধরনের পরিবর্তন গ্রহণযোগ্য নয়।