চট্টগ্রামে এবার কোরবানির পশুর বাজার সংখ্যায় বাড়ানোর চিন্তাভাবনা চলছে। বাজার বেশি হলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কম হবে। বাজার কম হলে মানুষের জমায়েত বেশি হবে। তাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কোরবানির পশু কেনাকাটার সুবিধার জন্য বাজার বাড়ানোর কথা ভাবা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। গত বছর চট্টগ্রাম নগরী ও জেলা মিলিয়ে ২০৬টি কোরবানির পশুর বাজার ইজারা দেওয়া হয়েছিল। এবার তা বাড়িয়ে ৩০০ করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম মহানগরী এলাকায় স্থায়ী দুইটি পশুর বাজার রয়েছে। কোরবানির সময় আরো ছয়টি অস্থায়ী বাজার ইজারা দেওয়া হয়। এগুলো হলো—কর্ণফুলি পশু বাজার, সল্টগোলা ক্রসিং পশুর বাজার, পতেঙ্গা কমল মহাজন হাট পশুর বাজার, বিমানবন্দর সড়কটিকে গ্রুপের খালি মাঠ, স্টিল মিল বাজার ও পতেঙ্গা সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ।
এদের মধ্যে স্টিল মিল বাজার ও পতেঙ্গা সিটি করপোরেশর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ নিয়ে পুলিশের আপত্তি রয়েছে। সড়কের ওপরে হওয়ায় যানজট সৃষ্টি হয়। তাই পুলিশ প্রশাসন এই দুইটি বাজার ইজারা না দেওয়ার জন্য সিটি করপোরেশনকে অনুরোধ করেছে।
আর চট্টগ্রাম জেলার মধ্যে ১৯৮টির মতো কোরবানির পশুর বাজার ইজারা দেওয়া হয়। এখনো পর্যন্ত এসব বাজার ঠিক রয়েছে। এর বাইরে কোরবানির পশুর বাজারের ইজারার জন্য কেউ আবেদন করেনি।
চট্টগ্রামে নগরীতে কোরবানির পশুর বাজার নিয়ে সিটি করপোরেশনে সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সকল পক্ষকে নিয়ে বৈঠক হয়েছে। এতে কোরবানির পশুর বাজারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কীভাবে পশুর বাজার করা যায় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রিয়াজুল হক ইত্তেফাককে বলেন, কোরবানির পশুর হাটে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যাতে ক্রেতারা পশু ক্রয় করতে পারেন সেইভাবে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। পশুর বাজার বাড়ানোর চিন্তাভাবনা চলছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুদ্দোহা ইত্তেফাককে বলেন, ‘আমাদের দুইটি স্থায়ী পশুর বাজার রয়েছে। এ বছর অস্থায়ী সাতটি পশুর বাজার ইজারা দিতে পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু পুলিশ প্রশাসনের অস্থায়ী তিনটি বাজার নিয়ে আপত্তি দিয়েছে। ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হতে পারে। তাই আমরা এ বছর অস্থায়ী চারটি বাজার ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’