স্পোর্টস ডেস্ক
ফুটবলে পশ্চাদপদ এশিয়ার বৃহত্তম আসর এশিয়ান কাপ আজ শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হচ্ছে। ১ ফেব্রুয়ারি হবে প্রতিযোগিতার ফাইনাল।
প্রথমবারের মতো ২৪ দেশের অংশগ্রহণে ৫১ ম্যাচের এই প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ এশিয়া থেকে কেবল ভারতই টুর্নামেন্টটিতে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। আজ উদ্বোধনী দিনে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক আমিরাত ও তাদের পড়শি বাহরাইন। ভারতের প্রথম খেলা আগামীকাল থাইল্যান্ডের সাথে।
জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান ও সৌদি আরবকেই এবারের এশিয়ান কাপ ফুটবলে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা হচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়া ভৌগলিকভাবে ভিন্ন মহাদেশ হলেও ফুটবলে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সদস্য। ২০০৬ সালের পর দেশটি এএফসির সদস্যপদ নেয় এবং বিশ্বকাপেও খেলছে এশিয়ার কোটায়।
অস্ট্রেলিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানানো দেশ চারটি রাশিয়া বিশ্বকাপেও খেলেছে। এর মধ্যে জাপান শেষ ষোলয় পৌঁছায়। অপরদিকে দক্ষিণ কোরিয়া জার্মানিকে কুপোকাত করে এবং ইরান ও সৌদি আরব একটি করে খেলায় জয়ের কৃতিত্ব দেখায়।
জাপান ১৯৯২, ২০০০, ২০০৪, ২০১১ সাল মিলিয়ে চারবার এশিয়ান কাপ জিতেছে। দেশটি সর্বশেষ এশিয়া কাপ জিতেছিল অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েই। এর আগে ২০০৭ সালের কোয়ার্টার ফাইনালেও তারা সকারুজদের হারায়।
ইরান ঐতিহাসিকভাবেই এশিয়ার শক্তিশালী দলগুলোর একটি। যদিও ১৯৬৮, ১৯৭২, ১৯৭৬ সালের এশিয়া কাপ জয়ীরা গেল তিন আসরেই কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছিল। তবে এশিয়ায় যোগ দেয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার সাথে তাদের এখনো মোকাবেলা হয়নি। তবে এর আগে ১৯৯৭ সালে বিশ্বকাপের প্লে অফে মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফুটবলের রাজসূয়া আসরটিতে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল ইরান।
দক্ষিণ কোরিয়া ১৯৫৬ ও ১৯৬০ সালের পর আর এশিয়া কাপ জেতেনি। তাই এবারও তাদের লক্ষ্য হবে দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটানো। ২০১৫ সালের ফাইনালে তারা অস্ট্রেলিয়ার কাছেই পরাজিত হয়েছিল।
সৌদি আরবও দীর্ঘদিন কাপটি জেতেনি। ১৯৮৪, ১৯৮৮, ১৯৯৬ সালের জয়ীদের ভরসা এবার খেলা হচ্ছে পড়শি আরব দেশের অনুকূল কন্ডিশনে। যদিও গত চার আসরের তিনটিতেই তারা গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়ে।