করোনার প্রাদুর্ভাব কি কমছে?

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্তের সংখ্যা কম দেখা যাচ্ছে। তার মানে কি করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমছে? এই ব্যাপারে টেলিফোন ও ই-মেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের অভিমত প্রকাশিত হলো আজ

চার মাসে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা সাড়ে ৮ লাখের কিছু বেশি। করোনা সংক্রমণের এই অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কীসের ভিত্তিতে প্রাদুর্ভাব কমার কথা বলেছে তা বোধগম্য নয়। প্রতিদিনই গড়ে ৩ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে। পরীক্ষার সংখ্যা বাড়লে নিশ্চিতভাবেই শনাক্তের সংখ্যাও বাড়বে। কম নয় মৃত্যুর সংখ্যাও। এমতাবস্থায় প্রাদুর্ভাব কমার কথা বললে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে অবহেলা চলে আসার আশঙ্কা থাকে। তখন সংক্রমণ পরিস্থিতির আরো অবনতি হবে। প্রাদুর্ভাব কমার কথা তখনই বলা যাবে যখন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের সংখ্যা কম হবে।

এ এফ এম সালাহউদ্দীন

বান্দরবান সদর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকগণ করোনা ভাইরাসের প্রকোপ কমে আসতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন। বাংলাদেশের সংক্রমণের ১৮তম সপ্তাহে এসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার নিম্নগামী রয়েছে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের কাছে বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়। করোনার প্রাদুর্ভাব কমছে এটা এখন সহসা বলা যাবে না।

মারুফ, মুগদা, ঢাকা।

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে গেছে এটা বোধ হয় এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। কারণ আমরা পত্রিকায় সকল সংবাদ পাচ্ছি, তাতে দেখা যাচ্ছে যারা করোনার পরীক্ষার দায়িত্ব নিয়েছিলেন তারাই দুর্নীতি করছেন। তাছাড়া সঠিকভাবে পরীক্ষা না করে বালতি পরীক্ষা করিয়েছেন। এজন্য কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যক্তিদের দ্বারা করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ, করোনা শনাক্তকরণ এবং চিকিত্সার উদ্যোগ নিতে হবে। আমাদের দেশে করোনা যে অবস্থায় থাকুক না কেন সরকারের সঠিক সিদ্ধান্তের ফলে জনগণের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসবে। তারা নিজেরাই স্বউদ্যোগে সমস্ত বিধি মেনে চলবেন।

মাখরাজ খান, সাঠুরিয়া, মানিকগঞ্জ।

করোনা টেস্ট করতে গিয়ে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে রোগী ও রোগীর আত্মীয়-স্বজন নানা দুর্ভোগ ও বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। তাছাড়া বেসরকারি অনেক হাসপাতালে অতিরিক্ত ফি নিয়ে টেস্ট না করিয়ে করোনার পজিটিভ অথবা নেগেটিভ রিপোর্ট প্রদান করা হচ্ছে। হাসপাতালে সেবার পরিবর্তে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রকৃত স্বরূপ জনগণ দেখতে পাচ্ছেন। বাস্তব উদাহরণ, উত্তরার ও মিরপুরের রিজেন্ট হাসপাতাল। যার ফলে স্বাস্থ্য পরিদপ্তরের হিসেবে করোনা আক্রান্ত রোগীর শনাক্তের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। আসলে এটা সঠিক নয়।

মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ

সর্দার পাড়া, মুন্সীপাড়া।

করোনা ভাইরাস যে আমাদের নিয়ন্ত্রণে আসছে, আমাদের ধারণাটা ভুল। কারণ কয়েক দিন আগে একদিনেই ৫৫ জন মারা গেছে। যতদিন ভেকসিন আবিষ্কার না হয় ততদিন এটা কমবে না। সামনে পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। শুকনার সিজন আসলে ধুলাবালি মানুষের নাকে-মুখে প্রবেশ করবে। ভাইরাসটাও আরো বৃদ্ধি পাবে।

খন্দকার কামরুজ্জামান

উত্তর পীরেরবাগ, ঢাকা।

দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের চার মাসের শেষে এসে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শনাক্তের সংখ্যা বিবেচনায় প্রাদুর্ভাব কমে যাওয়ার কথা বললেও বাস্তবে সংক্রমণ পরিস্থিতি নাজুক। প্রতিদিনই মৃত্যুর সংখ্যা আশঙ্কাজনক। উপসর্গ নিয়েও  নিয়মিত মৃত্যুর ঘটনা আশাহত হওয়ার মতোই। নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে শনাক্তের শতকরা হারে স্পষ্ট হবে প্রাদুর্ভাব কমছে না কি বাড়ছে।

আবু ফারুক, সদর, বান্দরবান।

হাসপাতাল ছাড়াও দেশের আনাচে-কানাচে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছেই। তবে সুস্থও হচ্ছে অনেক। তাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শনাক্তের সংখ্যা কম দেখে বেজায় খুশি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বরং সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে

উবাইদুল্লাহ তারানগরী 

দুধনই, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ।

রাস্তায়, গাড়িতে, হাটবাজার, অফিস-দোকান, শপিংমলসহ সব জনসমাগম স্থলে মানুষের উপস্থিতি কম। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কোর্ট-কাচারি প্রায় পাঁচ মাস বন্ধ রয়েছে। করোনা চিকিত্সায় নিভর্রযোগ্য ওষুধও বাজারে আসেনি।  এ অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যাই মনে করুক, প্রকৃতপক্ষে করোনার প্রাদুর্ভাব এখনই কমছে না বলে আমি মনে করি।

জিয়াউল হক সরকার, পূবাইল, গাজীপুর।

মহামারি করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবে আক্রান্ত রোগী ও মৃতের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। ল্যাব বাড়লেও আশাব্যঞ্জক নয় নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা। হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীদের চিকিত্সা সেবার মান নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি, ক্ষোভ ও ভয় কাজ করে। এতে করে স্বাভাবিকভাবেই মনে হবে করোনা রোগী কম। সবমিলিয়ে প্রাদুর্ভাব কমে যাওয়ার বক্তব্যের সঙ্গে একমত হওয়া যায় না।

মোহাম্মদ ফয়সাল

পূর্ব মাদারবাড়ি, চট্টগ্রাম।

বিভিন্ন মাধ্যমে যতটা জানা যায়,  নেহাত্  প্রয়োজন না পড়লে অনেকেই করোনা টেস্ট করান না, করোনা টেস্টের হাসপাতালগুলোর ব্যাপারে যে রিপোর্ট দেখা যায় তা হতাশাব্যঞ্জক। তা ছাড়া যে কোনো ভাইরাসের  গতি একই রকম থাকে না, হয় বাড়বে না হয় কমবে, মানুষের সচেতনতা বেড়েছে। করোনা প্রাদুর্ভাব থেকে আমরা সম্পূর্ণ না হলেও সহনশীল অবস্থায় পৌঁছাবো ইনশাল্লাহ।

মো. ফিরোজ আহম্মেদ,

 সেকশন-৬, মিরপুর, ঢাকা

বাংলাদেশে যারা নিজেরা টেস্ট করতে চাইছেন, মূলত তারাই টেস্টের আওতায় আসছেন। কোন্ এলাকায় সংক্রমণ কোন্ পর্যায়ে তা নির্ধারণে সরকার নিজ থেকে টেস্ট করছে না।  সরকারিভাবে শনাক্তকরণ পরীক্ষা বাড়ানোর মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া যাবে সংক্রমণের ব্যাপকতা কত কম বা বেশি। তাছাড়া কোনো কোনো প্রাইভেট হাসপাতালে নমুনা সংগ্রহ করে টেস্ট ছাড়াই নেগেটিভ বা পজিটিভ রিপোর্ট দেওয়ার কারণে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা নির্ধারণ অসম্ভব। ভোগান্তি থেকে বাঁচার জন্য অনেকে হাসপাতালে না গিয়ে ঘরেই চিকিত্সা নিয়ে থাকে এবং তাদের সংখ্যা অজানাই থেকে যায়।

মোহাম্মদ শহীদউল্যা

হকভিলা, মেরাদিয়া, ঢাকা।

চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে সাধারণ ছুটিসহ জেলায় জেলায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এখনো কিছু কিছু জায়গায় জোনভিত্তিক লকডাউন চলছে। আর এই লকডাউনের কারণে শিশু-কিশোরসহ সব বয়সের মানুষ গৃহবন্দি। কিন্তু বর্তমানে সংক্রমণ, রোগী ও মৃত্যুহার বেশি থাকলেও জনসাধারণের আতঙ্ক অনেকটাই কেটে গেছে। আগের মতোই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। অফিস-আদালতে, ব্যবসা-বাণিজ্যে ও খেত-খামারে কাজে যেতে পারছে লোকজন। 

মোহাম্মদ আবদুল্লাহ,

করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ।

করোনা ভাইরাস দেশে আসার পর থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের খামখেয়ালিপনা প্রবলভাবে চোখে পড়া শুরু করেছে। এত অব্যবস্থাপনা নিয়ে যে স্বাস্থ্য খাত চলে, তা দেশের জনগণ নতুন করে দেখল। সেই সঙ্গে এটিও বোঝা গেল, কেন ধনীরা বিদেশে গিয়ে চিকিত্সা করান। দেশে করোনা ভাইরাসের নমুনা ঠিকঠাক মতো সংগ্রহ করা হচ্ছে না, ঠিকঠাক মতো পরীক্ষা করা হচ্ছে না এসব নিয়ে প্রশ্ন আছে। নমুনা সংগ্রহের দশ-বারো দিন পর দেওয়া হচ্ছে ফলাফল। যার ফলে সমন্বয়হীনতা দেখা যাচ্ছে। কোনো দিন করোনা সংক্রান্ত বেশি দেখাচ্ছে, কোনো দিন কম দেখাচ্ছে। মানে এটি তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এই নিয়ন্ত্রিত ফলাফলের ভিত্তিতে কখনই বলা সম্ভব না যে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব কমছে। অতএব করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতকে জবাবদিহিতায় আনা হোক। সকলের করোনা টেস্ট নিশ্চিত করা হোক।

মোহাম্মদ অংকন, উত্তরা, ঢাকা।

‘করোনা’ সংক্রমণ প্রতিরোধে আমরা সফল না হলেও শনাক্তকরণ রোধে বোধহয় সক্ষম হয়েছি! প্রায় সব দেশেই টেস্ট সংখ্যা বাড়ানো হলেও আমাদের দেশে তা কমানো হয়েছে! ‘করোনা’ বোধহয় এদেশে এসে লজ্জায় লাল হয়ে গেছে!! আজব দেশ আমাদের।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

করোনা পরীক্ষা ফি সর্বনিম্ন ২০০ টাকা, তাই লোকে আর তেমন পরীক্ষাও করাতে চাইছে না! এ কারণে আক্রান্ত দিন দিন কমে আসছে বলে মনে করি।

বিলকিছ আক্তার, কাউনিয়া, রংপুর।

দিন যত বাড়ছে করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। সরকার যখন এতো কিছু করল তখন মাত্র সাত দিনের জন্য হলেও কারফিউ দিক। টেস্ট কম, করোনা কম! টেস্ট বেশি করোনা বেশি। করোনা হোক আর না হোক সবাই লবণমিশ্রিত গরম পানি পান করুন।

ফারদীন, যশোর।

গত ৬ জুন জনস হপকিস বিশ্ববিদ্যালয় এক পরিসংখ্যানে বলেছে যে, বিশ্বের ১৬০টি দেশের মধ্যে জনসংখ্যার তুলনায় বাংলাদেশের মৃত্যুর হার ১.২২ শতাংশ এবং বাংলাদেশের অবস্থান ৯২তম। দুই সপ্তাহ আগে আরো খারাপ ছিল। আর শনাক্তের তুলনায় মৃত্যুর হার ওই ১৬০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ এখন ১২৯ নম্বরে। ভালো কথা। তবে আসন্ন কোরবানির ঈদে যদি দল বেঁধে গ্রামের বাড়ি যাওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে যদি যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী মানা না হয় তাহলে আবারও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে বলে আমরা মনে করি।

মোস্তানসিরুন, ধানমন্ডি, ঢাকা।

আক্রান্ত ও শনাক্তের প্রতিদিনের তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে কোনো ভালো লক্ষণ নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই তথ্যটিকে আমরা সঠিকভাবে নিতে পারছি না।

শিশির, পিলখানা, ঢাকা।

প্রতিনিয়তই শহরে যাওয়া-আসা, রাস্তাঘাটে চলাফেরা এবং হাটবাজারে গেলেও মানুষ মানছে না সামাজিক দূরত্ব। মাস্ক ব্যবহার না করেই দল বেঁধে যে যার মতো ইচ্ছেমতো কাজ করছে। দেশের সব মানুষকে কোভিড-১৯-এর ভয়াল ছোবল থেকে নিরাপদ রাখার জন্য করোনা ভাইরাস প্রতিষেধক আবিষ্কারের পূর্ব পর্যন্ত সরকারি- বেসরকারি সংস্থাকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। করোনা প্রাদুর্ভাব কমছে- এ কথা শুনে বসে থাকলে চলবে না।

হোসনে আরা বাশার নীলা

হাজারীবাগ, ঢাকা।

 বিশ্বসংস্থা এবং আমাদের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের উভয়ের কথা এখন পর্যন্ত মিলে যায়নি। তাদের অধিকাংশ কথা কল্পনা প্রসূত। ইতালির প্রধানমন্ত্রী একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন, আমাদের সব প্রচেষ্টা শেষ, এখন আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি। তিনি আকাশ বলতে ইংগিত করেছেন সৃষ্টি কর্তাকে। পৃথিবীতে বিভিন্ন সময়ে মহামারি আসবে এ কথা কোরআনে আছে, তবে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রাখতে হবে। অন্যায় কাজ বন্ধ করতে হবে। ধৈর্য ধরতে হবে। মহামারির এই ধৈর্যের ব্যাপারে সুরা বাকারায় ১৫৩ ও ১৫৬ আয়াতে মহান আল্লাহ পাক খুব সুন্দর কথা বলেছে। সেগুলো স্টাডি করলে আমাদের অভিজ্ঞতা হবে।

সাইফুল ইসলাম তানভীর, গুলশান, বারিধারা।

 চীনের হুবাই প্রদেশের উহান শহরে গত ৩১ ডিসেম্বর প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। আর বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। দেশে করোনা শনাক্তের চার মাস পার হয়েছে। পরিস্থিতি এখনো নাজুক। তাই আজ আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে—এ কথা নিশ্চিত করে বলা যাবে না।

মো. মেজবাহউদ্দিন সেলিম

ইব্রাহিমপুর, বাজার মাথা

ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা।

আইইডিসিআর ও যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ জুনের শেষ দুই সপ্তাহে স্থিতিশীল থেকে নিম্নসূচি অবস্থায় রয়েছে। আবার বলা হচ্ছে—জুলাইয়ের শেষ নাগাদ সংক্রমণ সহনীয় পর্যায়ে নিম্নমুখী হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। তার মানে এই নয় যে করোনা নিম্নমুখী।

অ্যাড. এস কে মো. রমিজউদ্দিন

কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা।