কমল কান্ত রায়, গঙ্গাচড়া (রংপুর) সংবাদদাতা
গঙ্গাচড়ার কাঁঠাল এখন ঢাকা যাচ্ছে। এ বছর কাঁঠালের ভালো ফলন হলেও চাষিরা দাম তেমন পায়নি। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসায়ীরা কাঁঠাল নিয়ে যাচ্ছে ঢাকায়। গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের একটি গ্রামের নাম চেংমারী। এ এলাকার মাটি বেলে দো-আঁশ। কাঁঠালসহ যে কোনো ধরনের গাছ লাগানোর উপযোগী। কাঁঠালের ফলন অন্যান্য এলাকার চেয়ে অনেক ভালো। দুই/চারটি বাগান ছাড়াও প্রতিটি বাড়িতে কাঁঠাল গাছ রয়েছে।
চেংমারী ছাড়াও হাবু বালারঘাট, পশ্চিম মান্দ্রাইন, মৌলভীবাজার এলাকাতে প্রচুর কাঁঠাল হয়। চাষিরা স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করে এসব কাঁঠাল। তাছাড়া শহর থেকে, পার্শ্ববর্তী হারাগাছ এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা এসে বাড়ি বাড়ি ঘুরে কাঁঠাল কিনে নিয়ে গিয়ে রংপুর শহরে বিক্রি করে থাকে। এতে পাইকাররা প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা আয় করে থাকে। স্থানীয় পাইকাররা চাষির বাড়ি থেকে কাঁঠাল সংগ্রহ করে ট্রাকে করে ঢাকা নিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া অনেক ব্যবসায়ী আগাম গাছই কিনে নেয়।
গঙ্গাচড়ার ব্যবসায়ী নুর ইসলাম বলেন, প্রায় ১০ বছর থেকে কাঁঠাল ঢাকায় পাঠান। তাছাড়া অন্যান্য ফলও তিনি ঢাকায় পাঠান। তিনি আরো বলেন কাঁঠালের দাম এবার কম। কাঁঠালের চেয়ে গাড়ি ভাড়াই বেশি। এখান থেকে ঢাকা গাড়ি ভাড়া ২০ হাজার টাকা। এতে খরচ বাদ দিয়ে ট্রাকপ্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার মুনাফা হয় বলে ব্যবসায়ী নুর ইসলাম জানান। ঢাকায় দ্বিগুণেরও বেশি দামে বিক্রি হয় কাঁঠাল। প্রতি ট্রাকে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ কাঁঠাল ঢাকায় নিয়ে যাওয়া যায়। তিনি বললেন, এ বছর গাড়ি ভাড়া বেশি হওয়ার কারণে মুনাফা তেমন একটা হচ্ছে না।