জলবায়ু সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নয়নই হতে পারে খাদ্যনিরাপত্তার সমাধান

ভার্চুয়াল আলোচনায় বক্তারা

ইত্তেফাক রিপোর্ট

আগামী দিনে জলবায়ু-সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নয়নই হতে পারে খাদ্যনিরাপত্তার সমাধান। চলমান করোনা পরিস্থিতিতে কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রণোদনার আওতায় আনা প্রয়োজন। তাছাড়া কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। গতকাল ‘জলবায়ু পরিবর্তন ও করোনাকালে খাদ্যনিরাপত্তা’ শীর্ষক আলোচনায় বক্তারা এ কথা বলেন। শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক আবু জাফর আহমেদ মুকুলের উপস্থাপনায় প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য দেন, পিকেএসএফ এর চেয়ারম্যান ড. কাজী খলিকুজ্জামান আহমেদ, ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ এর ভাইস চ্যান্সেলর অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম খান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল মুঈদ এবং শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও সহযোগী অধ্যাপক ড. রঞ্জন রয়।

সূচনা বক্তব্যে অধ্যাপক আবু জাফর আহমেদ মুকুল মহামারি করোনা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রায় ১৭ কোটি মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেন। বক্তারা কৃষিপণ্যের রপ্তানির জন্য গুড এগ্রিকালচার প্রাকটিস (জিএপি), প্রসেজিং জোন প্রতিষ্ঠা, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের জনবল দক্ষ নিয়োগের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। সেই সঙ্গে কৃষক ও সম্প্রসারণ কর্মকর্তাসহ কৃষির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রণোদনা প্যাকেজ প্রদানের অনুরোধ করেন। উন্নত বীজের জন্য প্রশাসনিক জটিলতা কমানো ও কৃষকদের কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণের জন্য মূল্য কমিশন বাস্তবায়ন বিষয়ে একমত প্রকাশ করেন। ড. কাজী খলিকুজ্জামান আহমেদ করোনাকালে কীভাবে খাদ্য অনিরাপত্তা কমানো যায় এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমিত করা যায় এ  বিষয়ে আলোকপাত করেন।