গ্যাস, বিদ্যুত্, পানির বিলে দিশেহারা বেকারি কারখানাগুলো

সরকারি সহায়তা কামনা

ইত্তেফাক রিপোর্ট

বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে বেকারি কারখানাগুলো মার্চ মাস থেকে বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে কিছু কিছু কারখানা শ্রমিকের কর্মসংস্থানের মানবিক দিক বিবেচনা করে খোলা রাখলেও লোকসান গুনতে গুনতে পুঁজি হারিয়ে বেকারি মালিকরা আজ দিশেহারা। কারখানা বন্ধ থাকুক কিংবা লোকসান যতই গুনুক বেকারি কারখানায় গ্যাস বিল, বিদ্যুত্, পানির বিল ও কারখানা ভাড়া গুনতে হচ্ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতির কার্যালয়ে সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিরাজমান গ্যাস, বিদ্যুত্ ও পানির বিলের সমস্যা শীর্ষক এক আলোচনায় একথা বলা হয়।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এতে বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল হক রেজু, প্রথম সহসভাপতি মো. আব্দুল হান্নান মিয়া, সহসভাপতি গোলাম ফারুক তালুকদারসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এসময় তারা বলেন, প্রতিটি বেকারি কারখানায় চার-পাঁচ মাসের বকেয়া গ্যাস বিল, বিদ্যুত্ বিল, পানির বিল ও কারখানার ভাড়া জমা পড়ে আছে। পুঁজি হারিয়ে অর্থ সংকটের কারণে বেকারি কারখানার মালিকদের পক্ষে বিল পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই চার মাসের বকেয়া মোট বিলের অর্ধেক মওকুফের আবেদন জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি বাকি বিল আগামী ছয় মাসের বিলের সঙ্গে সমন্বয় করার অনুরোধ জানান তারা। ভাড়ায় চালিত বেকারি কারখানাগুলোর ভাড়া অর্ধেক করাসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।